‘কেন বিয়ে টিকবে না…?,’ অন্য নারীর সঙ্গে নাম জড়ালেও গোবিন্দার সঙ্গেই থাকতে চান সুনীতা!

গোবিন্দা এবং সুনীতা আহুজার সম্পর্ক বেশ কিছুদিন ধরেই খবরের শিরোনামে রয়েছে, বিশেষ করে ‘হিরো নম্বর ১’-এর সঙ্গে তাঁর সহ-অভিনেত্রী কোমল রানীর প্রেমের গুঞ্জন প্রকাশ্যে আসার পর থেকে। গোবিন্দার এই বিষয়ে খোলাখুলি কথা না বললেও, সুনীতা সম্প্রতি জানিয়েছেন যে তিনি বিশ্বাস করেন যে তাঁদের পরিবার আবার আনন্দের দিনে ফিরে আসবে।

সুনীতা আহুজা বলেন, “অবশ্যই আমরা ভাল সময় দেখব, কেন দেখব না? বর্তমানে সময় আমাদের পক্ষে নেই এবং সময়ের সঙ্গে কেউ লড়াই করতে পারে না। আমাদের ৪০ বছরের বৈবাহিক সম্পর্ক, এটা কেন টিকবে না? ঠিক আছে, উনি যা পছন্দ করছেন তাই করছেন। আমি কাজ করছি, আর আমার পুরো নজর এখন কাজের দিকেই রয়েছে। কিন্তু এই জীবনে আমাদের কেউ আলাদা করতে পারবে না। বাকি সব আমি ভগবানের উপরেই ছেড়ে দিয়েছি। ঈশ্বর ছাড়া আমি কারওর কাছে কিছু চাই না। তাঁর জন্য এবং আমার জন্য যা সঠিক, ঈশ্বর আমাদের সেই আশীর্বাদই দেবেন।”

 

গোবিন্দার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা বাড়তে থাকায় সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এক দীর্ঘ বার্তার মাধ্যমে মুখ খুলেছেন কোমল। সুনীতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়ে কোমল লেখেন, ‘যে নারী বছরের পর বছর ধরে নিজের স্বামীকেই মেরে ফেলার চেষ্টা করছেন, তাঁর অভিশাপ কারও গায়ে লাগে না। একটা ভাঙা সংসার অন্য কেউ এসে ভাঙতে পারে না।আমি বুঝি না কী রকম কষ্টের মধ্য দিয়ে তিনি যাচ্ছেন।এটা কি সত্যিই কোনও কষ্ট, নাকি একটা যত্ন সহকারে ছক কষা ষড়যন্ত্র?’

 

 

তিনি আরও লেখেন, ‘একজন পুরুষকে প্রতিনিয়ত মানসিকভাবে হেনস্থা করা, তাঁকে কাজে যেতে বাধা দেওয়া, ঘরে বসে ধুঁকে ধুঁকে শেষ হতে বাধ্য করা, পুরোপুরি একা করে দেওয়া এবং মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া—আমার মনে হয় না কোনও ভাল বা পতিব্রতা স্ত্রী তাঁর স্বামীর সঙ্গে এমন জঘন্য ব্যবহার করতে পারেন। এই ধরণের নারীরা কি মানসিকভাবে অসুস্থ, নাকি নিজেদের স্বার্থে অতিরিক্ত চালাক? তাঁরা খুব ভাল করেই জানেন যে বন্ধ দরজার আড়ালে যা হাসিল করতে পারেননি, প্রকাশ্যে এসে মানুষের সহানুভূতি কুড়িয়ে তা ঠিকই অর্জন করে নেবেন। নিজের স্বার্থের জন্য আমার নাম ব্যবহার করা বন্ধ করুন। ভগবান যেন প্রতিটি ভাল মানুষকে এই ধরনের নারীদের হাত থেকে রক্ষা করেন।’

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.