সুনীতা উইলিয়ামসদের মহাকাশে ফেলেই পৃথিবীতে ফিরে এল বোয়িং স্টারলাইনার

শনিবার সকাল ৯.৩১ মিনিটে নিউ ম্যাক্সিকোর হোয়াইট স্যান্ডস স্পেস হারবারে নামলো বোয়িং স্টারলাইনার ক্যাপসুলটি। মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামস এবং বুচ উইলমোর ৫ জুন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই ক্যাপসুলে চড়েই একটি মিশনে গিয়েছিলেন। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সেদিন থেকে সেখানেই  আটকে ছিল বোয়িংয়ের স্টারলাইনার ক্যাপসুল। জানা গেছে, বেসরকারি মহাকাশযান স্টারলাইনার শনিবার সকাল ৮.৫৮ নাগাদ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে। তার পর মাটি ছুঁতে তার সময় লাগে আরও ৪৪ মিনিট। অবতরণের সময় বায়ুমণ্ডলে থাকাকালীন যানটির হিটশিল্ড চালু রাখা হয়। এর পর একে একে খোলা হয় ৩টি প্যারাশুট। যাতে কোনও রকম দুর্ঘটনা এড়িয়ে ধীরে ধীরে তা পৃথিবীর মাটি ছুঁতে পারে। বিজ্ঞানীদের দাবি, মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে নামার এই গোটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগে মোট ৬ ঘণ্টা। তবে ক্যাপসুলটি  পৃথিবীতে ফিরে এলেও আপাতত মহাকাশেই আটকে রইলেন সুনীতার ।

ফলে তাদের যাত্রা হতে চলেছে আরও দীর্ঘ। ১০ দিনের মিশনে যাওয়া এই যাত্রা আট মাস পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন মহাকাশ বিজ্ঞানীরা। মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় নাসা স্পষ্ট জানিয়েছে যে, বুচ এবং সুনীতা যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে কোনও মিশনের ক্ষেত্রেই মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বোয়িং-এর দাবি, বর্তমানে তাদের মহাকাশযান স্টারলাইনার মহাকাশচারীদের ফিরিয়ে আনার জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ। তবে চ্যালেঞ্জার এবং কলম্বিয়া মহাকাশযান দুর্ঘটনার পর নাসা আর কোনও ঝুঁকি নিতে চায় না। এই অবস্থায় গত শুক্রবার স্টারলাইনারকে বিদায় জানান দুই মহাকাশচারী। তাঁরা বার্তা দেন, ‘ওকে পৃথিবীতে ফিরিয়ে নাও। সব ভাল হোক।’ সুনীতাদের মহাকাশে রেখে অবশেষে পৃথিবীতে ফিরল স্টারলাইনার।

 

সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া

 

facebook sharing button
twitter sharing button
skype sharing button
telegram sharing button
messenger sharing button
viber sharing button
whatsapp sharing button

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.