বিয়ে অনুষ্ঠানে সালাদ না দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে বাক বিতণ্ডার জেরে বর ও কনেপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘ সময়ে চলা এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হন। এদের মধ্যে মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালী গ্রামে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালী গ্রামের মো. নিজাম মিয়ার ছেলে মো. মেহেদী হাসানের সঙ্গে একই গ্রামের বকু ফকিরের মেয়ের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। গতকাল মঙ্গলবার ছেলেপক্ষ বরযাত্রী নিয়ে মেয়ের বাড়ির অনুষ্ঠানে যায়। এ সময় খাবার টেবিলে মাছ-মাংস পোলাও দিলেও সেখানে সালাদ দেওয়া হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে মেয়েপক্ষের সঙ্গে ছেলেপক্ষের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শুরু হয় হাতাহাতি প্লেট ছোড়াছুড়ি। এরপর উভয়পক্ষের লোকজনই লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দীর্ঘ সময়ে এ সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
খবর পেয়ে উপজেলার বগা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ডা. মিরাজুল ইসলাম জানান, গুরুতর আহত রফিক ও মিজান নামে দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদের এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম আরিচুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে এ ঘটনায় কেউ থানায় অভিযোগ দেননি।’

