কৃত্রিম চিনি ক্যানসারের কারণ, কোকসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্য চিহ্নিত

শিগগিরই কৃত্রিম চিনিকে ক্যানসারের জন্য দায়ী সম্ভাব্য রাসায়নিক পদার্থ (কার্সিনোজেন) হিসেবে ঘোষণা করতে যাচ্ছে ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যানসার (আইএআরসি)। কোকাকোলা, ডায়েট সোডা, চুইংগাম এবং আরও কিছু কোমল পানীয়তে ব্যবহৃত হয় এই অ্যাসপার্টাম (কৃত্রিম নন-স্যাকারাইড সুইটেনার) বা কৃত্রিম চিনি।

জানা গেছে, স্বাস্থ্যের কথা ভেবে আমরা যে ডায়েট কোক খাচ্ছি, তাতেও পাওয়া গেছে ক্যানসারের উপাদান। এ কোকে আর্টিফিশিয়াল সুইটনার হিসেবে ব্যবহার করা অ্যাসপার্টাম নামের মিষ্টিকে ক্যানসার সৃষ্টির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ঘোষণা দিতে যাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

বিশেষজ্ঞদের বৈঠকের পর জুন মাসের শুরুর দিকে আইএআরসি কৃত্রিম চিনিকে ক্যানসারের জন্য দায়ী সম্ভাব্য রাসায়নিক পদার্থ (কার্সিনোজেন) হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ছাড়া খাদ্যপণ্যে ব্যবহৃত ক্ষতিকর বিভিন্ন পদার্থ নিয়ে সংস্থাটি আগেও বেশকিছু সিদ্ধান্ত দিয়েছে। সেসব সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়ে গেছে। সেই সঙ্গে খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারীদের রেসিপি সংশোধন করতে মামলা ও চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

খাদ্য ও পানীয় শিল্পের পণ্যগুলোতে সাধারণত অ্যাসপার্টাম, স্টিভিয়া ও স্যাকারিনের মতো উপাদান যোগ করা হয়। কৃত্রিম নন-স্যাকারাইড সুইটেনার অ্যাসপার্টাম সুক্রোজের চেয়ে ২০০ গুণ বেশি মিষ্টি। সাধারণত খাবার ও পানীয়তে চিনির বিকল্প হিসেবে এগুলো ব্যবহার করা হয়।

চিনির বিকল্প হিসেবে মানুষের কৃত্রিম সুইটেনার গ্রহণ খুব বেশি সুবিধা দেয় না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিশেষজ্ঞ দল বিস্তারিত পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে জুন মাসে বৈঠকে বসে। সেখানে জানানো হয়, অ্যাসপার্টেমে কারসিনোজেন নামের ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদান পেয়েছেন তারা।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.