যদিও এ সম্পর্কিত দিবস যুক্তরাজ্য ও আয়ারল্যান্ডে মার্চ মাসে পালন করা হয়, তবে বিশ্বে একযোগে দিবসটি পালন করার জন্য ২৩ এপ্রিল আজকের দিনটিকেই নির্ধারণ করা হয়।
সর্বপ্রথম ইউনেস্কো ১৯৯৫ সালে এই দিবসটি উদ্যাপন করা শুরু করে। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিবছর ২৩ এপ্রিল এ দিবসটি পালিত হচ্ছে।
পাঠ, প্রকাশনা এবং কপিরাইটিংয়ের প্রচারে জাতিসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা এমন একটি দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
দিবসটিতে বইপড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, বইয়ের কপিরাইট সংরক্ষণ এবং বইয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে মানুষকে আরও সচেতন করার প্রতি জোর দেওয়া হয়ে থাকে।
বিশ্ব বই দিবসের মূল ধারণাটি আসে স্পেনের লেখক ভিসেন্ত ক্লাভেল আন্দ্রেসের কাছ থেকে। তিনি ছিলেন বিখ্যাত লেখক মিগেল দে থের্ভান্তেসের ভাবশিষ্য।
প্রিয় লেখক মিগেল দে থের্ভান্তেসের মৃত্যুদিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৯২৩ সালে তিনি স্পেনে বিশ্ব দিবসটি পালন করা শুরু করেন।
এই দিনটিতে স্পেনীয় লেখক মিগেল দে থের্ভান্তেস ছাড়াও ইংরেজ উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, পেরুভীয় ইনকা গার্তিলাসো দে লা ভেগা, সত্যজিৎ রায়সহ আরও অনেক বিখ্যাত ব্যক্তির জন্ম ও প্রয়াণ দিবস সম্পর্কিত হওয়ায় পরবর্তী সময়ে ইউনেস্কো সিদ্ধান্ত নেয় ২৩ এপ্রিলকেই বিশ্ব বই দিবস হিসেবে বেছে নেওয়ার।
বিশ্ব বই দিবসের এই দিনটিতে তাই বই পড়ে কিছু সময় নিজের মতো করে কাটাতে পারেন। পছন্দের বই উপহার দিতে পারেন পছন্দের ব্যক্তিকে।

