আজ বিশ্বযুদ্ধ শেষ ও হিটলারের নাৎসি জার্মানির শর্তহীন আত্মসমর্পণের দিন

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল অ্যাডলফ হিটলার যখন নিজেকে হত্যা করেছিলেন, অবশেষে নাৎসি সরকারের শেষ দিনগুলি গণনা করা হচ্ছিলো। নাৎসি জার্মানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি হিটলারের মৃত্যুর মাধ্যমে শেষ হলেও এরপরে কী হবে তা এখনও পরিষ্কার ছিলোনা। “মানুষ আবার রাস্তায় হাঁটেন,” জার্মান কবি এরিখ কাস্টনার তাঁর ডায়েরিতে লিখেছিলেন। “আর কিছু নেই এবং না থাকার ব্যবধানের মধ্যে শুন্যতা তাদের আর জ্বালাতন করে না।”
এক সপ্তাহের পরেও নিশ্চিততা আসেনি কবে সেই যুদ্ধশেষের চুক্তি হবে: ১৯৪৫ সালের ৭ মে জার্মান কর্নেল জেনারেল আলফ্রেড জডল আমেরিকান সদর দফতরে, রেইমে একাই মার্কিন জেনারেলের সাথে বসে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ের শিরোনাম নথিতে তার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। কিন্তু সোভিয়েত ইউনিয়ন তা মেনে নেয়নি, তাই মে ৮, ১৯৪৫ এ, অনুষ্ঠানটি পুনরাবৃত্তি হয়েছিল বার্লিনে – স্টালিনের চাপে: নাৎসি জেনারেল ফিল্ড মার্শাল উইলহেলম কেইটেল বার্লিনের সোভিয়েত সদর দফতরে স্বাক্ষর করেছিলেন।
১৯৪৫ সালের ৮ মে জার্মান সশস্ত্র বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের মাধ্যমে ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়। যদিও সারা বিশ্বে এই মরণ যুদ্ধ শেষ হতে ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিলো। জাপান তখনো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বার্লিনের পতনের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক দিনটিতে এক সংক্ষিপ্ত আনুষ্ঠানিকতা শেষে সোভিয়েত মিত্র বাহিনী বার্লিন জয় করার পর তাদের সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছিল।
৮ মে, ১৯৪৫ ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির দিন। মার্কিন জেনারেল জোডল ৭ মে ইউরোপের সহযোগী বাহিনী সুপ্রিম কমান্ডার-ইন-চীফ জেনারেল ডুয়েট ডি. আইজেনহোওয়ারের সদর দফতরে রাইমস শহরে জার্মানির নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে স্বাক্ষর করেন। এটি ৮ মে, ১৯৪৫ থেকে কার্যকর হয়েছিল।
এক দিন আগে, ৭ মে ১৯৪৫ তারিখে, সশস্ত্র বাহিনী অপারেশনস স্টাফ, কর্নেল জেনারেল আলফ্রেড জোডল, ফ্রান্সে অবস্থানরত এক জার্মান জেনারেল এর উপস্থিতিতে আত্মসমর্পণ পত্রে স্বাক্ষর করেন। যেহেতু আত্মসমর্পণ দলিল জার্মান হাই কমান্ড দ্বারা স্বাক্ষরিত হয়নি, তাই সমস্ত অংশগ্রহণকারীদের একমত অনুসমর্থনের জন্যে উচ্চপদস্থ জার্মান জেনারেল দের উপস্থিতি তে, বার্লিনে আর একবার এই ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে’ স্বাক্ষর করেন।
এই নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’কে ‘জার্মান ক্যাপিটুলেশন’ বলা হয়। এই অনুষ্ঠান বার্লিনে ৮ মে ১৯৪৫ সালে পুনরাবৃত্তি হয়। মধ্যরাত্রি কিছুক্ষুন পরেই জার্মান ফিল্ড মার্শাল উইলহেম কেইটল, কর্নেল জেনারেল হান্স-ইয়ুরগেন স্টুম্প ও অ্যাডমিরাল জেনারেল হান্স গেয়র্গ ফন ফ্রিডেবের্গ দ্বারা আত্মসমর্পণ দলিল জার্মান হাই কমান্ডের পক্ষ থেকে সই করে। আর মিত্রশক্তির পক্ষে ছিলেন সোভিয়েত আর্মি মার্শাল গেওয়র্গী সুকোভ সুপ্রিম কমান্ড পক্ষে আরো ছিলেন মিত্রশক্তির অভিযানমূলক বাহিনীর সুপ্রিম কমান্ডার প্রতিনিধি হিসেবে ব্রিটিশ এয়ার মার্শাল আর্থার ডব্লিউ ট্যাডার দস্তাবেজে এবং মার্কিন জেনারেল জোডল সমবেত ভাবে স্বাক্ষর করেন। এই ক্যাপিটুলেশন এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৬ বছরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়।
১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল বিংশ শতকের সকল মহান শক্তিগুলির সমন্বয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং মানব ইতিহাসের বৃহত্তম সামরিক সংঘর্ষকে চিহ্নিত করে। ইউরোপে পোল্যান্ডে জার্মান হিটলারের বাহিনীর আক্রমণের মাধমে ১ লা সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে ইউরোপ থেকেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। পূর্ব এশিয়ায় ১৯৩৮ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নের সাথে সীমান্ত যুদ্ধে এবং ১৯৩৭ সাল থেকে চীন সহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধে জার্মানি জাপানের সাথে সংযুক্ত ছিল। যুদ্ধ চলাকালীন, দুটি সামরিক জোট গঠিত হয়, এটি অ্যাক্সিস ও অ্যালিস নামে পরিচিত। ১০০ মিলিয়নেরও বেশি সেনাসদস্য সামরিক অস্ত্র সজ্জিত হয়ে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই যুদ্ধে জড়িত ছিল। যুদ্ধের ৭ মিলিয়নেরও বেশি মানুষকে জীবন দিতে হয়েছে এবং সমগ্র বিশ্বকে হিটলারের নাৎসি বাহিনী এক আতঙ্ক ও ত্রাশের সন্ত্রাস করেছে। এছাড়াও ৬ মিলিয়ন ইহুদি জনগোষ্ঠীকে নাৎসিরা কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে গ্যাসচেম্বারে হত্যা করে।
বন্ধুরা, দু’বছর আগে এই সময়ে আমি বাডেন ভুটেনবার্গ ফেডারেল স্টেট এর এক ‘ওয়েলনেস সেন্টারে’ Spa Wellness Holidays কাটিয়েচ্ছি, সেখানে অনেক বয়োস্কো মানুষও ওয়েলনেস সেন্টারে এসেছেন। তাদের মধ্যেই এক ভদ্রমহিলা এডিথ, ৯০ বছর বয়স, এসেছেন ওয়েলনেস সেন্টারে, তার সাথে কথা হয়েছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন শুরু হয় তখন তার বয়স ছিলো ১০ বছর, আর যুদ্ধ শেষে তিনি ১৬ বছরের এক কিশোরী। এডিথ তাঁর স্মৃতি থেকে বেশ কিছু কথা বলছিলেন। বেশিরভাগেরই ধ্বংসাত্মক শহর গুলোর কথা আর হত্যাযজ্ঞের কথা। এছাড়াও নাৎসিদের শতাধিক কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে ৬০ লাখ ইহুদিদের হত্যার কথা।
হলোকস্ট স্মরণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষের ৬০ বছর পর, বার্লিনের ঐতিহাসিক ব্রান্ডেনবুর্গ তোরণের কাছে ‘মেমোরিয়াল টু দ্য মার্ডার্ড জিউস অফ ইউরোপ’ নামের এক স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করা হয়৷ নিহতদের স্মরণে সেখানে কংক্রিটের ২,৭১১টি স্ল্যাব বসানো হয়েছে৷ ইহুদি নিধনযজ্ঞের শিকার, এমন বহু মানুষের নামও লেখা আছে এই স্মৃতিসৌধ’তে।
৬ বছরের এই যুদ্ধ ইউরোপ থেকে শুরু হলেও ছড়িয়ে পরে সারা পৃথিবীতে। ইউরোপ থেকে প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, জাপান, চীন, মধ্যপ্রাচ্য, ভূমধ্যসাগরীয়, উত্তর আফ্রিকা, আফ্রিকার হর্ন, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা, এমনকি ভারতেও এই বিশ্বযুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে জীনন দেয়, আর যুদ্ধর সময়ে সেসময় ভারতের বৃটিশ সৈনিক দের প্রচুর খাবার মওজুদ রাখার কারনে, জনগনের খাদ্যশস্য কম থাকায় ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে (বাংলায় পঞ্চাশের মন্বন্তর) আরো লক্ষাধিক ভারতীয় প্রান দেয়।
এবছর প্রথম থেকেই শুরু হয়েছে করোনা মহামারী, এরই মধ্যে সারা পৃথিবীতে ৪০ লক্ষ মানুষ সংক্রামিত হয়েছে কোভিড-১৯ রোগে এবং মৃত্যু ২ লক্ষ ৮০ হাজার, এ আর এক যুদ্ধ এক অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে।
ছবিঃ ১৯৪৫ সালে যুদ্ধ শেষে বিধ্বস্ত বার্লিনের ব্রান্ডেনবুর্গ গেইট
৮ই মে ১৯৪৫ সালে মিত্রশক্তি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাপ্তি ঘোষনা করে। ৭৭ বছর আগে কেমন ছিলো যুদ্ধত্তর পৃথিবী তাই নিয়েই আমার এই লেখা।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পাঁচটি মুল কারনঃ (আমার রিসার্চে ৫ টি কারন খুঁজে পেয়েছি)
১) প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের পর ১৯১৮ সালে ভার্সাই চুক্তিতে ততকালীন জার্মানিকে দায়ীকরে সমস্থ যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব গ্রহন করলে, হিটলারের নেতৃত্বে NSDAP দলের জন্ম হয়, তারা যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করে এবং প্রচন্ড প্রপাগান্ডা শুরু করে।
২) হিটলার রাজনৈতিক প্রতিশোধের পরিকল্পনা করে জার্মানিতে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
৩) ভার্সাই চুক্তিতে মিত্রশক্তি দস্তখত করলে জার্মানিতে সমস্যার সূত্রপাত হয়। চুক্তির ধারার অসন্তুষ্টির মধ্যে ছিল জার্মানিতে রাইনল্যান্ডের সামরিক ঘাটি উৎখাত, অস্ট্রিয়ার সাথে একত্রীকরণ বাতিল এবং কয়েকটি জার্মান ভাষী অঞ্চল, তথা পোল্যান্ডের ডানৎসিগ ও ইস্টপরোশিয়ান রাজ্যকে হারানো, যুদ্ধ-অপরাধ অনুচ্ছেদ, এবং জার্মান কর্তৃক অত্যধিক জরিমানা প্রদান, ইত্যাদির কারনে জার্মানির ৮০% জনগন যখন তার বিরোধিতা করে তখন হিটলার ক্ষমতায় আসে ১৯৩৩ সালে।
৪) হিটলার ক্ষমতায় এসেই জার্মানির সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা শুরু করে এবং পুরো ইউরোপের দেশগুলি দখল করার পরিকল্পনা করে।
৫) জার্মানদের একটা বন্দর নগরী, ডাঞ্চিক, ভৌগোলিক ভাবে পোল্যাণ্ডের ইস্ট পুরুশিয়ান রাজ্যে অবস্থিত। জার্মানি থেকে একটি কোরিডোর সেই শহরে যাওয়া যেতো, হিটলার ক্ষমতায় আসে ১৯৩৩ সালে, সেই থেকে জার্মান জাতীকে উদ্ভুত করে নিজের দেশের সীমানা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে। হঠাৎ করে পোল্যান্ড, বৃটিশদের সহায়তায় সেই কোরিডোর বন্ধ করে দেয়, হিটলার ভিষণ খেপে গিয়ে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে পোল্যান্ড আক্রমণ করে, সেই থেকেই দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ শুরু।
সংখেপে এই ৫ টি কারনেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
অর্থনৈতিক মহামন্দা পরবর্তী পরিস্থিতিতে অসহনীয় হয়ে ওঠে। জার্মানির সবচেয়ে মারাত্মক আন্তঃরাষ্ট্রীয় কারণ ছিল রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অস্থিরতা।
১ লা সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল পোল্যান্ডের জার্মান ওয়েহম্যাট আক্রমন করে। অ্যাডলফ হিটলার পোল্যান্ডে একটি প্রতিরক্ষা কর্ম হিসাবে আক্রমণ জারি করে। ধীরে ধীরে, পোলিশ সৈন্যরা রেডিও স্টেশন গ্লুইইসে হামলা চালায়।
অনেক পাঠ্যপুস্তক, ওয়েবসাইট এবং টিভি ডকুমেন্টারিগুলিতে প্রকাশিত ছবি অনুসারে পোল্যান্ডের জার্মান আক্রমণের পথ সহজ: প্রথমত, জার্মান স্বৈরশাসক রেইকের পূর্বাঞ্চলীয় সীমানাকে নিরাপদ রাখতে চেয়েছিলেন, যাতে খুব দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দ্রুত আঘাত হানতে পারে। একটি দ্রুত বিজয় একই সময়ে ইউরোপীয় শক্তিগুলি ওয়েহম্যাটের শক্তি প্রদর্শন করে।
তারপরে, সাধারণ সংস্করণ অনুসারে, হিটলার ফ্রান্সকে দখল করার জন্য পশ্চিমা ফ্রন্টে যুদ্ধের সমস্ত শক্তি নিক্ষেপ করতে চেয়েছিলেন। অবশেষে, যখন পশ্চিম ইউরোপ জার্মানির আধিপত্যের অধীনে ছিল, তখন একটি নবায়নযোগ্য সুইং তার সত্যিকারের যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনে পূর্বাঞ্চল’কে অনুসরণ করেছিল: পূর্বের বাসস্থান, অর্থাৎ সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরোপীয় অংশের বিশাল অঞ্চল জয় করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছিল – অন্ততপক্ষে – ইউরোপের মাটিতে – ৮ মে ১৯৪৫-এ, যখন বার্লিন এর কার্লসহর্স্ট জেলায় মধ্যরাতের কিছু আগে, (মস্কোর সময় তখন ৯ ই মে) ওবারকোমান্ডো ওয়েহরমাখট (আর্মড ফোর্সেস হাই কমান্ড) এর প্রধান উইলহেলম কিটেল একটি বৈঠকে বসেছিলেন। এয়ারফোর্স এবং জার্মান নৌবাহিনীর প্রতিনিধিদের সাথে তার পাশের টেবিলে, এবং সমস্ত জার্মান সশস্ত্র বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন যখন সোভিয়েত সুপ্রিম কমান্ডার, জর্জি কনস্টান্টিনোভিচ ঝুকভ, টেবিলের আরও উপরে থেকে ঘটনাগুলি পর্যবেক্ষণ করেন। যদিও ওয়েহরমাখ্ট সৈন্যরা ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্রান্সের রেইমস-এ জেনারেল আইজেনহাওয়ারের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল, প্রায় ২২ ঘন্টা আগে, জোসেফ স্টালিন জোর দিয়েছিলেন যে সোভিয়েত কমান্ডের অধীনে জার্মান রাজধানীতে এই কাজটি পুনরাবৃত্তি করা হবে – এটি পশ্চিমা মিত্রদের প্রতি তার অবিশ্বাস এবং তার ইচ্ছার লক্ষণ। তার নিজের ভূমিকা এবং বার্লিনে এমন একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রতীকী শক্তি উভয়কেই আন্ডারস্কোর করে (যা সর্বোপরি সোভিয়েতের হাতেই হয়েছিল।
মীর মোনাজ হক , জার্মান প্রবাসী সাংবাদিক এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.