ভারতে আটক সেই পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

গ্রাহকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় গ্রেফতার হওয়া ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের সাথে সম্পৃক্ত বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

ডিএমপির গুলশান বিভাগের উপকমিশনার আসাদুজ্জামান রোববার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ‘ভারতে অনুপ্রবেশের পর গ্রেফতারে খবর সে দেশের পত্রপত্রিকাসহ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া ছাড়াও নিজ কর্মন্থলে অনুমতি ছাড়া অনুপস্থিতির কারণে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।’

তাছাড়া রানার বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলাও হয়েছে, যা তদন্ত করা হবে বলে জানান আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে আর কোনো অভিযোগ আছে কিনা সেটাও আমরা খতিয়ে দেখে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

এর আগে, বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা রোববার দুপুরেই বলেছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ।

দুপুরে ঢাকার পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামও জানিয়েছিলেন, অনুপস্থিতি নিয়ে গুলশান বিভাগের প্রতিবেদন পেলেই সোহেল রানাকে বরখাস্ত করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৩ সেপ্টেম্বর ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত থেকে বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ই-অরেঞ্জ নামে অনলাইন মার্কেট প্লেসের সাথে যোজসাজশ থাকার অভিযোগ উঠেছে, যে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

এদিকে গ্রাহকের ৭৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দেশীয় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের সাথে সম্পৃক্ত বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্লাহ, নাজনিন নাহার বিথি, কাওসার, কামরুল হাসান, আব্দুল কাদের, নূরজাহান ইসলাম সোনিয়া ও রুবেল খান।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.