আমি ভালো নেই তাতে তোর কি আসে গেল,
আমার ঘরে এসো , আমার ঘর খুব কাছে,
বললাম কখন মেনীমুখো হুলো?
রঙ তামাশায় বাংলার বাহাদুর ? ডর নাই কোনো?
আঃ মরণ, এই নিয়ে ক’বার তাড়ালাম?
আমি পঁচা মাছ বিক্রি হইনা?
ফের মিউমিউ আসিস ঘুরে ফিরে।
আমি কি এটো কলাপাতা?
আমায় কেউ দেখলো শুনলো না,
ঠাঁই নিয়ে আশ মিটিয়ে খেয়েদেয়ে,
ছড়ি দুলিয়ে নেবে যাবি পথে।
হ্যারে রাংতা শালিক নইতো?
রাস্তার ধারের নর্দমায় ডানা উল্টে পড়ে আছি,
আহ্হা এসে আমায় উদ্ধার করবেন যেন,
হঠাৎ হঠাৎ দয়া দাক্ষিণ্য দেখায় দাতাকর্ণ,
হাত ঝাড়লে হাজার পাঁচ শত।
এরপরে যদি আসিস ফিরে ঘাটের মড়া,
চশমখোর মারবো মুখে মুড়ো ঝাঁটা।
মেয়েমানুষ আর মেয়েমানুষের গতর?
হেইহো,,, হেইহো,,, মুখপোড়া বান্দর,
বদনে ঝামা ঘইষে দেব চাঁন্দ,
এতই সহজলভ্য দেহদ্বীপে পদারপণ ,
চাওয়া মাত্তর যা ইচ্ছা লীলাকেত্তন।
অধিক রাতে ওনার নিজ গৃহে মন উড়ুউড়ু,
বৌয়ের সোহাগে দেহ ভরে তো মন ভরেনা,
ছাড়া পাখি,,, শুনে মনেপ্রাণ জুড়ে গেল আর কি,
এ ডালে বসবি তো ঐ ডালে ঠোঁকরাবি।
হঠাৎ এতো উপচে পড়া খায় খাতির,,,,সেয়ানাগিরি?
পা-হাত দাববি আঙুল মটকে দিবি,
বাজার রান্না আরও কত আল্লাদ ন্যাকামি,
তোবা তোবা কী সাংঘাতিক অকল্পনীয়,
যেন সাতপাকের সোয়ামী?
ওরে আমার বলিহারি মুরোদ ক্ষ্যামতা?
সেই তো নথ খসালি আগে শুধু লোক হাসালি?
উপরে নীচে যা পাইস ছ্যাছড়া তাই খাইস,
চাইলে ইজ্জত যায় তোর , চুরিতে দোষ নাই?
হায় হায় তুই নাকি আবার প্রকাশ্য মানীলোক,
পকেটে নাই কানাকড়ি, সার্টিফিকেটে পি এইচ ডি।
কোনদিন যদি বলি, “ওগো কেউ গিয়ে তারে আনো দেখি।”
শোনো বিদ্যাধর, গোটা দুই নাত্থি দিই তোর,
অমন মান আর সার্টিফিকেট জারিজুরির।
চুপ,,, চুপ,,,, চুপ,,,, পাঁড়া বেপাঁড়ার খবর কিরে,
ভদ্রলোকে বলবে ,,,, অবাধ্য দাসী বাঁদী?
গুরুতর অমার্জিত ব্যাপার না ঘটলে কোনো ,
ওপরতলার বাবুরা কান নাড়ান না।
আমার জিভের আড় নেই শুনিসনি?
সবখানে সব বলে দিতে পারি।
অন্ধকার রাতে রাস্তায় কে চুপচাপ হাঁটেরে মিনসে ?
কে কার কথা শুনছে ঠিক নাই,
তবু সকলে ভয় তাড়াতে কিছু না কিছু বলে থাকে,
গান গায়, শিষ দেয় আনমনে।
মরবি মর গলায় কলসি বেঁধে মর।
তুই ছাড়া পৃথিবীতে আর যেন কেউ নেই?
কর্ণ কাটা বহুরুপী আর কত চুপ?
তবে ভাগ রাস্তা মাপ, মনে বড়ো দাগা পেলি?
নীচতলার অবলার বমন করতে নেই?
সে গুঁড়ে বালি, জগত পাল্টেছে সমান নীতি,
সবে তো ছিপ ফেলেছি আরো কত কি দেখবি।

সিফাত হালিম
(বন্ধুবরেষু শায়লা সাদিককে উৎসর্গ)

