জীবনবোধ থেকেঃ পর্ব ৪৩

( দুইশত একুশ)

বিজ্ঞানে জড় ও অজড় পদার্থের অস্তিত্বের কথা বলা হলেও ধর্ম বিশেষত পবিত্র কোরআন বলছে যে মহাবিশ্বের সকল সৃষ্টিই নিজ নিজ সৃষ্টিগত সত্বানুযায়ী চেতনাযুক্ত।

( দুইশত বাইশ)

পদার্থ বিদ্যার মুলসূত্রগুলোই সাক্ষ্য দিচ্ছে সৃষ্টিকর্তা এক ও অদ্বিতীয়। তারই ধারাবাহিকতায় বলা হচ্ছেঃ মানুষ কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না, ধ্বংসও করতে পারেনা তবে রুপান্তর করতে পারে মাএ। অর্থাৎ সৃষ্টি করার এখতিয়ার একজনেরই আর তিনি হলেন সৃষ্টি কর্তা বা আল্লাহ।

( দুইশত তেইশ)

মহাবিশ্ব সফরে আলোর গতির সীমাবদ্ধতা স্বীকৃত। আইনস্টাইনের ভাবনায় সে জন্যই গ্যালাক্টিক ব্রিজের ধারনা সুচিত হয়েছিলো অথচ পবিত্র কোরানে এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট  বক্তব্য, পথ ও পাথেয়ের দিক নির্দেশনা রয়েছে যা জ্ঞানীদের জন্য আলো স্বরুপ।

( দুইশত চব্বিশ)

বিজ্ঞান ও ধর্মের মূলতঃ কোন মৌলিক বিরোধ নেই। কৃত্রিম বিরোধ তখনই রচিত হয় যখন বিজ্ঞানকে ধর্মেের চেয়ে নিখুঁত ও অধিকতর বাস্তব নির্ভর বলে প্রচার করা চেষ্টা  করা হয়। আর কাজটা যারা  করেন তারা ধর্মের গভীরতা, প্রশস্ততা ও উচ্চতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। পবিএ ধর্ম গ্রন্ত কোরান সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ বলছেন যে  বিজ্ঞানময় এ কোরান।

এজন্যই আইনস্টাইন বলেছেনঃ

ধর্ম ছাড়া বিজ্ঞান খোড়া এবং  বিজ্ঞান ছাড়া ধর্ম অন্ধ। এ বক্তব্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতার উপর জোর দেয়া হয়েছে। তবে অধিকতর স্পটতার স্বার্থে

বক্তব্য হতে পারে এভাবেঃ

বিজ্ঞান ধর্মের মহাসত্যের মহাবলয়েরই আবিস্কার ও ব্যবহার মুলক অংশ বিশেষ।

চলবে—

 

সিনহা এম এ সাঈদ 

লেখক, গবেষক ও পাবলিক স্পীকার 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.