( একশত একাত্তর)
পীর, দরবেশ ও ফকির সব সময়ে সব সমাজেই সমাদৃত ও আলোচিত। মানুষের ধর্ম বিশ্বাসের সাথে এগুলোর সম্পর্কও ওতোপ্রোতোভাবে জড়িয়ে আছে। এখানে আবেগ ও বিশ্বাসটাই মুখ্য।
( একশত বাহাত্তর)
সত্যিকারের পীর, দরবেশ ও ফকির সকলের জন্য আলোকবর্তিকা অথচ এদের মুখোশে ভন্ড ও প্রতারকদের দৌরাত্ম্যের ব্যাপকতা ও আধিপত্যই বেশী এবং এটাই হলো অন্ধকারে দিকে ধাবিত হওয়ার চালিকা শক্তি।
( একশত তেহাত্তর)
যখন কোন সমাজে তথাকথিত পীর, দরবেশ ও ফকিরের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায় এবং মানুষ বুঝে না বুঝে তাদের দিকে ঝুঁকে পড়ে তখন বুঝতে হবে নীতিকথা ও নৈতিকতার অবক্ষয়ের মাত্রাও বৃদ্ধি পেয়েছে বা পাচ্ছে ভয়ংকররুপে।
( একশত চুয়াত্তর)
শিক্ষিত লোকেরা যখন তথাকথিত পীর, দরবেশ ও ফকিরদের দরবারে আনাগোনা বেশী করে তখন বুঝতে হবে স্ব স্ব ধর্মীয় মুল্যবোধ ও দৃঢতায় তারা যথাযথ মাত্রায় পরিচিত ও অনুশীলনে অভ্যস্ত নয়।
( একশত পচাত্তর)
ধর্ম শিক্ষা, জানা, বুঝা ও উপলব্ধিতে অপরিপক্ক ও অনগ্রসর সমাজ তথাকথিত পীর, দরবেশ ও ফকিরের জন্য চারন ভুমি বলে বিবেচিত ও পরিগনিত।
চলবে—

সিনহা এম এ সাঈদ
লেখক, গবেষক ও পাবলিক স্পীকার

