( একশত বাষট্টি)
শত শত বছরব্যাপী কিছু কিছু বক্তব্য ও বয়ান সচল আছে লোক সমাজে যাদের উৎস ও ভিত্তি নিয়ে কেউ প্রশ্ন করে নি বা আলোচনার করার প্রয়োজনবোধ করে নি। অথচ এগুলোর নেতিবাচক প্রভাব ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও দেশের উপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে আছেদৃঢ ও অব্যাহতভাবে।
যেমন, চিরন্তন হলো শ্বাশুড়ি- বউ, ননদ- ভাবীর সহজাত বৈরী সম্পর্ক,পাএ হিসেবে বগুড়ার ছেলে এবং পাএী হিসাবে বিক্রমপুরের মেয়ে অদ্বিতীয় ইত্যাদি। ঢালাও বক্তব্য ব্যক্তি, পরিবার বা সমাজ কারো জন্যই নিরাপদ নয়।
( একশত তেষট্টি)
অনেক সময় একই অনির্ভরযোগ্য কথা বারবার প্রচার হতে থাকলে যথাযত খন্ডন বা প্রতিবাদের অভাবহেতু তা এক সময় সত্যতা ও গ্রহনযোগ্যতা পেয়ে যায়।
( একশত চৌষট্টি)
সার্বজনীন বক্তব্যও স্থান – কাল- পাএ ভেদে তারতম্য হয়ে থাকে।
( একশত পয়ষট্টি)
সামান্য কথা, ঘটনা বা সুএ স্থান- কাল- পাএ ভেদে অসামান্য হয়ে যেতে পারে।
( একশত ছেষট্টি)
কবি বলেছেনঃ
যেখানে দেখিবে ছাই
উড়াইয়া দেখো তাই
পেলোও পেতে পারো অমুল্য রতন।
অথচ এখানেও সংযমী, সচেতন ও
বাস্তবমুখী পদক্ষেপ অতি জরুরী।
চলবে–

সিনহা এম এ সাঈদ
লেখক, গবেষক ও পাবলিক স্পীকার

