“ভালোবাসি বারে দে মেরে অবসর”
বলে ভালবাসার টানে তাড়িত মানবী মনঃ
“দোহাই তোদের একটুকু চুপ কর, ভালোবাসি বারে দে মোরে অবসর”।
এলো জবাব প্রতিযোগিতাভরে চারিদিক থেকেঃ
কেন বলছো এমন স্বরে ও সুরে
নইকি মোরা তোমার সুহৃদ, শুভাকাঃখী, আপনজন?
ঠিক আছে, ঠিক আছে
হলাম চুপ, দিলাম অবসর তবু
গড়ে উঠুক ভালবাসার মহীরুহ
বিস্তৃত ও প্রসারিত হয়ে দিগ দিগন্তে
নিজস্ব ছন্দ, তাল ও লয়ের সংমিশ্রণে
না থাক ভালোবাসার ডাক মোদের জীবনে
তবুও শান্তনা, এসেছে তা তোমারি আংগিনায়
যাও, যাও, যাও এগিয়ে আপন
আপন মহিমায়, চেতনা ও মুক্তমন নিয়ে।
সময় যে নয় এটা পেছনে তাকানের
ঐ দেখো বিহারীলাল, কীটস, বায়রন, শেলী
ওয়ার্ডসওয়ার্থ, হুইটম্যান, নজরুল, রবীন্দ্রনাথ, অরফিউস,
এলেনা রুজভেল্ট, শাহজাহান, মমতাজ, সেলিম, এ্যাডওয়ারড পন্চম
আরো কতো কে জানা-নাজানা প্রেমীকের দল
দাড়িয়ে আছে হস্তে নিয়ে ফুলের ডালি
সিক্ত করার তরে!!
আকাশ, ভুমন্ডল ও জলরাশি
উত্তাল, নৃত্যরত, দিশেহারা আজ
চলছে মহাসমারোহের মহা উৎসব
সর্বএ এক সেন্টরিপ্যাটাল
মহা স্রোতের টানে।
হয়েছে ভাগীদাার এ ব্যাপকতার
গ্রহ- তারা-নক্ষএ- গ্যালাক্সি
নোভা, সুপার নোভা
ডার্ক ম্যাটার ও হোয়াইট ম্যাটার
আরো আছে যতো সৃষ্টি
ছড়িয়ে- ছিটিয়ে মহাবিশ্বে
আবরিত, বিকশিত ও বিকাশমান।
প্রানবন্ত ও ছান্দিক হয়েছে যা কিছু আছে সাগর- মহসাগের তলে
স্তরে স্তরে প্রকৃতির নিয়ম- বিধানে
এপিপ্যালাজিক জোন থেকে
বিথিপ্যালাজিক জোনে
বিথিপ্যালাজিক থেকে মেসোপ্যালাজিক জোনে
আরো এগিয়ে এ্যাবাসিল জোনে
অবশেষে হেড্যাপ্যালাজিক জোনে
সবই যেন আনন্দে আত্নহারা নতুন
এক সৃষ্টির অবলোকনে।
হায়রে ভালোবাসা একি রুপ তোর
চলোা তুমি, চলো তুমি
হিমালয়সম উচ্চতায়
সাহারসম প্রশস্ততায়
এবং
প্রশান্ত মহাসাগরসম গভীরতায়।
তাই তো তুমি উদ্যত, সীমাহীন
চলো, চলো দুর্বার আলোর গতিতে
কখনো, কখনো আলোর গতিকেও ছাড়িয়ে
সবকিছু ভেদ করে শুধুই সম্মুখপানে
অদৃশ্য এক স্বর্গীয় আস্বাদনে, মাদকতায়।

সিনহা এম এ সাঈদ

