অবশেষে আ’লীগ নেতা বাদল গ্রেফতার

সারা দেশে আলোচিত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদলকে (৪৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চরকালী গ্রামের মৃত মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল আলম চৌধুরীর ছেলে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান।

আজ বৃস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নোয়াখালী প্রেসক্লাবের পশ্চিম পাশ রেডক্রিসেন্ট মার্কেট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

মিজানুর রহমান বাদলের ছোট ভাই রহিম উল্যাহ বিদ্যুত তার ভাইকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মিজানুর রহমান বাদলের নিজেই নোয়াখালী ডিবি পুলিশের হাতে ধরা দিয়েছেন।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেনের মিজানুর রহমান বাদলকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করেন। আজ সন্ধায় ৭টা ২০ মিনিটে পুলিশ সুপার এক হোয়াটস অ্যাপ বার্তায় লেখেন ‘বাদল এরেস্টেড’। আর কিছুই পুলিশ সুপার জানাননি।

প্রসঙ্গত, গত দেড় মাস ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিহবন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই মেয়র মির্জা কাদেরের সঙ্গে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিরোধের জের ধরে পুরো উপজেলা জুড়ে এক অস্থিতিশীল পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এক সময় দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিলে পৃথক পৃথক এলাকায় দুইবার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। গোলাগুলিতে সাংবাদিক বোরহান উদ্দিন মুজাক্কিরসহ সিএনজিচালক আলাউদ্দিন গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

আজ বিকেল থেকে মিজানুর রহমান বাদলের গ্রেপ্তার নিয়ে নানা গুঞ্জন হলে পুলিশ গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করেন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.