সীমাহীন বেদনা আর দৈন্যর খবর

মেজর জেনারেল(অব.) এ কে মোহম্মাদ আলী শিকদার
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ বড় লেখা পড়ে না।
তাই তাঁর লেখার অংশ বিশেষ তুলে ধরলাম।অবক্ষয় আর দৈন্যর কোথায় গিয়ে পৌছেছি আমরা।
#”অধঃপতন আর দুঃসংবাদের মধ্যে আরেকটি ছোট সংবাদ” মনটাকে আরও ব্যথিত করেছে। কয়েকদিন আগে, ৪ অথবা ৫ অক্টোবর বাংলাদেশ একটি দৈনিকের অনলাইন ভার্সনের ছোট করে খবরটি প্রকাশ পায়।তাতে বলা হয়,মহান মুক্তিযুদ্ধের অস্ত্রগুলো বাংলাদেশ বিক্রি করে দিচ্ছে। পএিকার খবর অনুযায়ী ২৬, হাজারের কিছু বেশি অস্ত্র আছে,যার মধ্যে রাইফেলের সংখ্যা বেশি।জার্মান সরকার নাকি এগুলো কিনে নিতে চাইছে।কী রকম দাম হতে পারে তার কিছু খবরে উল্লেক নেই।বাংলাদেশ কেন বিক্রি করে দিচ্ছে তা জানতে পারলে ভালো হতো।কয়েকটি কারণ অনুমান করা যায়।এক হতে পারে এগুলো রাখার জায়গা হচ্ছে না। অযথা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তার চেয়ে কিছু টাকা পাওয়া গেলে মন্দ কি। এই লোহা লক্কর আবর্জনার কি মুল্য আছে।
এখান থেকে কথাটা শুরু করতে চাই।বেশি ভাগ মানুষের কাছে এগুলো হয়তো পুরনো লোহা লক্কড় ছাড়া আর কিছুই নয়।কিন্ত আমাদের মত কিছু বোকা মানুষের কাছে এর মুল্য অর্থ দিয়ে নির্ধারণ করা যায় না,এ গুলো এক কথায় অমূল্য।বাঙালি জাতি ও বাংলাদেশের জন্য অমুল্য সম্পদ।দিন যত যাবে ততই এর মুল্য বৃদ্ধি পাবে,যদি যথার্থ সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।এত দিন অবহেলায় পড়ে থাকার কারণে কিছু মানুষের কাছে আবর্জনা মনে হচ্ছে। আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদও অনু প্রেরণার জায়গা একাওর এর মুক্তি যুদ্ধ। তাই মুক্তি যুদ্ধে ব্যবহৃত একটি রশির মুল্য অপরিসীম। একটা অস্ত্র, একটা রাইফেল যথার্থ ক্যাপশনসহ যাদু ঘরে থাকলে সেগুলো কত আগ্রহভরে শত বছরের পরের প্রজন্ম পড়বে তাকি আমরা ভাবতে পারছি না।হতে পারে একটা অস্ত্রর একটা ক্যাপশন তৈরি করতে পারে সময়ের জন্য প্রয়োজন হাজার মুক্তি যোদ্ধা।
শেষ না কোরে এখানেই থেমে গেলাম।
লেখাটা পড়ার আগে ভালোবাসার আজিমপুর কলোনীর পোস্টে লিখেছিলাম।ঐতিহাসিক আজিমপুর কলোনির একটি বিল্ডিং কি আমরা সংরক্ষণ কোরতে পারতাম না।এ খবরটি আমি বাকরুদ্ধ, আমার লেখার হাত স্থবির । ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য লেখাটি উপস্থাপন।
লিনু হক , মুক্তিযোদ্ধা এবং সত্তর দশকের ছাত্রলীগ নেত্রীর  ফেসবুক থেকে সংগৃহীত    ।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.