পেট্রলিং পয়েন্ট ১৪ নিয়েই ১৫ জুন গভীর রাতে ভারত ও চীনের সেনাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। তার আগে মে মাসে এই এলাকায় ঢুকে পড়ে চিন। পরিস্থিতি দেখে ভারতও এলাকায় সেনা বাড়ায়, ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে। সীমা সহস্র বলকে ৩৫০০ কিলোমিটার লম্বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চীনের যে কোনও উসকানির মুখের মত জবাব দেওয়ার জন্য খোলাখুলি ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তখন থেকে দু’দেশের সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে ডিসএনগেজমেন্টের লক্ষ্যে বারবার আলোচনা হয়েছে। এতদিনে সেই আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, কারণ চীন তাদের অস্থায়ী আস্তানা সরিয়ে দিয়েছে এলাকা থেকে। একই সঙ্গে ভারতীয় ও চীনা সেনার মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা হয়েছে বাফার জোন।
এর আগে ৩০ জুন দু’দেশের সেনার মধ্যে প্রায় ১০ ঘণ্টা কোর কমান্ডার স্তরে আলোচনা চলে। ভারত বলে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় আগের পরিস্থিতি বহাল রাখতে হবে, চীনা সেনাকে জরুরি ভিত্তিতে গালওয়ান উপত্যকা, প্যাংগং সো এবং অন্যান্য এলাকা থেকে পিছিয়ে যেতে হবে। এর আগে ২২ জুন পূর্ব লাদাখে যে সব এলাকা নিয়ে অশান্তির সূত্রপাত, সে সব জায়গা থেকে পিছু হঠা নিয়ে দু’পক্ষ সহমত হয়।

