প্রাইমারী স্কুল অর্থাৎ চতুর্থ ক্লাস পর্যন্ত জার্মান সিসটেম অনুযায়ী রেজাল্ট ভালো হওয়া মানে সেই রেজাল্ট দেখেই ভালো স্কুল গুলোর দৌড়ঝাপ শুরু হয়ে যায় কি ভাবে সেই ছাত্র অথবা ছাত্রীকে নিজেদের স্কুলে এ্যাডমিশন দিয়ে স্কুলের নাম করা যায় তার উদ্দেশ্য।
সবারই ইচ্ছ থাকে গেমনাজিয়ম ( হাই স্কুলে) যাওয়ার। কিন্তু অনেকেরই ভালো মার্কস ক্যারি না করায়, যেতে হয় হাউপট,রেয়াল,অথবা প্রাইভেট যে কোনো স্কুলে।
গেমনাজিওমে রেজাল্ট সিট অনুযায়ী স্কুলে গুলোতে যেতে পারলেও শুরু হয় ঠিকে থাকার যুদ্ধ।
ভালো রেজাল্ট করে টিকে থাকতে হয় অথবা ঝরে পড়তে হয় রেয়াল অথবা হাউপট স্কুলে।
অন্য দিকে ভালো রেজাল্ট করে হাউপট,অথবা রেয়াল স্কুলে থেকে আবার আসতে পারে গেমনাজিওমে।
সবই নির্ভর করছে মার্কস এর উপর। পঞ্চম ক্লাস থেকে বার ক্লাস (আবিটুর) অর্থাৎ বাংলাদেশের ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত এর কার্যক্রম। আর এখানে ভালো রেজাল্ট মানেই পৃথিবীর দরজা উন্মুক্ত।
এই রেজাল্ট মার্কসিটের উপর আবার শুরু হয় এ দেশের বড় বড় ইউভার্সিটি গুলোর প্রতিযোগীতার, কে ভালো মার্কস ক্যারি করার স্টুডেন্টকে পাবে।
ভালো রেজাল্ট নিয়ে স্টুডেন্টরা রেজাল্ট পৃথিবীর অন লাইনে দিয়ে দিচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি গুলোতে খুলে যাচ্ছে এ দেশ ও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ভাগ্য, ভালো স্টুডেন্ট পাওয়ার।
ভর্তি বাণিজ্যের মত মহা অপরাধ এদেশে চিন্তাই করা যায় না।
আবার ইউনিভার্সিটি শেষ না হতেই জব বা চাকরি পাওয়ার জন্য যোগ্যতা দিয়ে পৃথিবী ব্যাপি অনলাইনে চাকরি করার যোগ্যতা। যা দেখে পৃথিবী হন্য হয়ে খুঁজে নিচ্ছে ডিগ্রিধারী স্টুডেন্টদের। সেলারি ও সুযোগ বুঝে ছড়িয়ে পড়ছে জার্মানিতে বিভিন্ন কোম্পানি অথবা সরকারি প্রতিষ্ঠানে। আসছে বিভিন্ন দেশ থেকে ভালো অফার চাকরির। চলে যাচ্ছে যে, যে দেশ তার সুবিধা মনে করছে। নেই এখানে চাকরীর জন্য, স্বজন প্রীতি, ঘুষ নীতি। আছে শুধু যোগ্যতার প্রতিযোগিতা।
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ স্বাধীন করে গিয়েছেন, সাথে রেখে গিয়েছেন তাঁহার সুযোগ্য কণ্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় তথ্য প্রযুক্তি বাংলাদেশকে ইনন্টার্নেট, কম্পিউটার বিজ্ঞানে অনলাইনে খুলে দিয়েছে অপার অপরিসিম সুযোগ।
খুলে দিয়েছে বাঙ্গালি স্টুডেন্টদের বিশ্বের দড়জা, সুযোগ করে দিয়েছে বিশ্বজয়ের পথ।
তাই কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও সবার গর্ব করা উচিৎ সজিব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে। বাঙালি জাতির গর্ব সে। কোনো ক্ষমতায় না এসেই শুধু উপদেষ্টা হিসাবে থেকে রেখেছেন বিশাল অবদান।
আজকের লেখার উদ্দেশ্য একটাই বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে ঢেলে সাজানো অতিব্য প্রয়োজন । প্রতিভার বিকল্প নেই। অবৈধ অর্থ উপার্জনে ভর্তি বাণিজ্য , মেধা বিহীন নামে মাত্র ডিগ্রিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলতে পারে না পৃথিবীর এই প্রতিযোগিতার যুগে। সংশ্লিষ্ট মহল বিষয়টি ভেবে দেখবেন এমনটাই প্রত্যাশা নিয়ে আজকের লেখা।
রাস্তা আমাদের তৈরি। শুধু প্রয়োজন প্রতিভাবান স্টুডেন্ট যারা পৃথিবীতে বিচরণ করে নিয়ে আসবে বাংলার জনগণের জন্য রেমিট্যান্স এবং আগামী প্রজন্ম পৃথিবীতে মাথা উচু করে বাঁচবে তার অপার সম্ভবনা।
মায়েদুল ইসলাম তালুকদার , প্রবাসী কবি ।

