বাকস্বাধীনতাকে বাধা দেয়া ও হয়রানিমূলক গ্রেফতার বন্ধ করা হোক,জাতীয় কমিটির বিবৃতি

ফ্যাসিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী জাতীয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আকমল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুর রহমান এক বিবৃতিতে বাকস্বাধীনতার উপর হামলা, বিশেষত ফেসবুকে অভিমত প্রকাশ করার দায়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার ও হয়রানির ঘটনায়, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গত ১০ মার্চ থেকে ‘নিখোঁজ’ ফটোসাংবাদিক ও সাপ্তাহিক পক্ষকালের সম্পাদক শফিকুল ইসলাম কাজলের ৫৩ দিন পরে সীমান্ত দিয়ে ‘অনুপ্রবেশের’ রহস্যময় ঘটনা ও তারপর একাধিক মামলা দিয়ে তাঁকে হয়রানি ও হাতকড়া পরিয়ে শারীরিক লাঞ্ছনা করার ঘটনায় বিবৃতিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে।
৫ মে ইফতারির পূর্ব-মুহূর্তে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও ‘রাষ্ট্রচিন্তা’ সংগঠনের সদস্য দিদারুল ইসলাম ভূঁইয়াকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে আসা এবং ২৪ ঘন্টায়ও তাঁকে আদালতে উপস্থিত না করার ঘটনাকে বিপজ্জনক ও বেআইনি পন্থা বলে নিন্দা করেছেন তাঁরা। একই সাথে গতকাল রাতে গ্রেফতারকৃত ব্যবসায়ী মোস্তাক আহম্মেদ ও কার্টুনিস্ট আহম্মেদ কবির কিশোরকে কারারুদ্ধ করার ঘটনাকেও তাঁরা স্বাধীন মত প্রকাশ ও সমালোচনা করার গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্য উদ্বেগজনক বলে মত ব্যক্ত করেছেন। গতরাতে আটককৃত এই তিনজনসহ একই ধরনের কারণে গত এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিকের বেশি গ্রেফতারকৃতদের অনতিবিলম্বে মুক্তি দেবার আহ্বান জানান হয়েছে বিবৃতিটিতে।
করোনা মহামারীর কারণে সকল আদালত বন্ধ থাকাকালে সত্যিকার ও গুরুতর কারণ ব্যতিরেকে নেহায়াতই সরকারবিরোধী মনোভাব পোষণের কারণে কাউকে গ্রেফতার না করার দাবি জানিয়েছে ফ্যাসিবাদ ও সা¤্রাজ্যবাদ বিরোধী জাতীয় কমিটি। সুত্র, প্রেস বিজ্ঞপি ।

শুদ্ধস্বর/আইপি

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.