মিউনিখ গবেষকরা করোনার ভাইরাসের পরীক্ষার  পদ্ধতি আবিস্কারের পথে

 

 

জার্মানের  মিউনিখ শহরের  একটি সংস্থা এমন  একটি করোনা ভাইরাস –পরীক্ষার  পদ্ধতি  তৈরি করেছে যা ১৫ মিনিটের  মধ্যে সুস্পষ্ট ফলাফল  দেবে। 

 

মার্টিনস্রেডে বায়োটেক ক্যাম্পাস ভিত্তিক সংস্থা বর্তমানে ৪০ জন কর্মচারী  নিয়ে  গঠিত এই সংস্থা টি  লুডভিগ ম্যাক্সিমিলিয়ানস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি  অঙ্গসংস্থা।  সর্বশেষতম জুনে এই পরীক্ষা পদ্ধতি  শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। পূর্ববর্তী পরীক্ষার পদ্ধতিগুলি ছিল জটিল এবং প্রচুর সময়সাপেক্ষ।  এই মিউনিখ গবেষকরা করোনার ভাইরাসের  ট্রেইলে রয়েছেন।

 

মিউনিখ-ভিত্তিক সংস্থা  জিএনএ (GNA বায়োসোলিউশন   করোনার ভাইরাস  বিশেষভাবে এমন দ্রুত  পরীক্ষা  ব্যবস্থা   তৈরি করেছে যা আগামী জুনের মধ্যে বাজারজাত করা  যেতে পারে।   কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা তা  ১৫  মিনিটের মধ্যে এই পরীক্ষাটি সুস্পষ্ট ফলাফল দিতে পারবে, বলে সংস্থাটির পরিচালক ফেডেরিকো বার্সজেনস জানিয়েছেন।

জার্মান  সেনাবাহিনি (বুন্ডেসওয়ার)  ইনস্টিটিউট ফর মাইক্রোবায়োলজি এবং মধ্যে  ফ্রাঙ্কোনিয়া অবস্থিত একটি মোটর সরবরাহকারী মোবাইল টেস্ট ডিভাইসগুলির বিকাশ ও উত্পাদনের  কারখানা এই সংস্থার আংশিক অংশীদার  এবং এই  টেস্ট-লিকুইড তৈরি  করার জন্য এই কারখানার মেশিনগুলো বেবহার  করা যেতে পারে।  উদাহরণস্বরূপ:   দ্রুত কোন সংস্থার কর্মীদের  ভাইরাস পরীক্ষা করা।  প্রকল্পটি অর্থায়ন করে বাভারিয়ান অর্থনীতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

 

করোনার ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই এবং তার দ্রুত প্রসারে  বিরুদ্ধে  খুবই তারা  রয়েছে। যেহেতু এই  প্রথা সাশ্রয়ের সময় কম হওয়ার কারণে অনেক  জীবন বাঁচাতে পারে।  জিএনএ (GNA) বায়োসোলিউশন একটি অতি-দ্রুত প্রক্রিয়া বিকাশের দিকে মনোনিবেশ করছেন।  বর্তমানে ৪০ জন কর্মচারী নিয়ে মার্টিনস্রেডে বায়োটেক ক্যাম্পাস ভিত্তিক সংস্থা লুডভিগ ম্যাক্সিমিলিয়ানস বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি অঙ্গসংস্থা যা ২০১০ সালে সংক্রামক  রোগগুলির সনাক্তকরণ গবেষণা এবং এর বিরুদ্ ধে ত্বরান্বিত সমাধানের  পদ্ধতি  তৈরির  কাজ   শুরু হয়েছিল।  “প্রাথমিকভাবে এই সংস্থা এইচআইভি (HIV ) এবং ইবোলা ভাইরাসগুলির প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করা হয়েছিল(  এক রিপোর্টে  সিইও (CEO)  বার্সজেনস ও কথা বলেন।   আমাদের ফোকাস এখন করোনার দিকে।

পূর্ববর্তী পরীক্ষার পদ্ধতিগুলি খুবই জটিল এবং প্রচুর সময়সাপেক্ষ।  গবেষণাগারে, পরীক্ষার জন্য উৎপাদনের  নমুনাগুলি  ৩০ থেকে ৮০ বার উত্তপ্ত করা হয় যাতে এতে থাকা  জেনেটিক কোডটির গুন: ডিএনএ (DNA)  প্রচুরগুনে বৃদ্ধি করা হতো।  এই ঘন্টা ব্যাপী প্রক্রিয়া শেষে, সেই ক্ষুদ্র নমুনাগুলিতে চিহ্নিত করা যেতে পারতো  যে  এতে  কোনো সংশ্লিষ্ট ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যটি   বিদ্যমান কি না।

শুদ্ধস্বর/মাহাবুবুল হক বিশেষ প্রতিনিধি জার্মানি ।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.