জার্মানির Tübing (ট্যুবিঙে) শহরের একটি বায়োটেকনোলজি সংস্থা “CureVac” (কিউরভ্যাক) এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান, ফ্রান্স ওয়ার্নার হাস ( Franz Werner Haas) ইতিমধ্যে বিশ্বাস করেন যে শরত্কাল থেকেই করোনার ভাইরাসের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষকে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এর জন্য সংশ্লিষ্ট ডাটা এই বছরের তৃতীয় অধ্যায় পাওয়া উচিত, সাপ্তাহিক পত্রিকা “Wirtschaftswoche” এর এক নুতুন সংস্করণে তিনি এই ঘোষণা দেন। “যদি „DATA“ ভাল থাকে এবং কর্তৃপক্ষ তাদের “ওকে” দেন তবে আমরা এই বছরেই একটি বৃহত্তর গবেষণার উদ্যোগ শুরু করতে পারি।”
হাস বলেন “কয়েক হাজার মানুষ ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করতে পারবেন। “এই ভ্যাকসিন কখন পর্যাপ্ত পরিমানে সাধারণ জনগণের ব্যবহারের পৌঁছিয়ে দেয়া সম্ভব – এই বছর না ২০২১ সালে” – এটি নির্ভর করছে ক্লিনিকাল পরীক্ষার ফলাফল এবং নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের উপর।” বর্তমানে একটি বিদ্যমান প্লান্ট থেকেই করোনার ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতি বছর “২০০ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ভ্যাকসিন ডোজ” উৎপাদন করা সম্ভব।
সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশনের কাছ থেকে ৮০ মিলিয়ন ইউরোর প্রতিশ্রুতি প্রাপ্ত “CureVac” (কিউরিভ্যাক) এই অর্থের বিনিময়ে উৎপাদন দ্বিগুন করার জন্য আরও একটি প্লান্ট তৈরি করা হবে। ২০২২ সালে এই প্লান্টটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এই পত্রিকাটির এক প্রশ্নের উত্তরে জনাব হাস উল্লেখ করে বলেন “আমরা তখন প্রতি বছর সেখানে করোনার ভাইরাসের ভ্যাকসিন এক বিলিয়ন বা তারও বেশি ডোজ তৈরি করতে সক্ষম হবো।” এই প্লান্টটি শুধু কোরনা ভাইরাস না, অন্যান্য ভ্যাকসিন তৈরি করতেও ব্যবহৃত হতে পারে – উদাহরণস্বরূপ তুলনামূলক একই ধরণের প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে।
মার্চের মাঝামাঝি সময়ে, ঘোষণা করা হয়েছিল যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একচেটিয়াভাবে “করোনা -ভ্যাকসিনটি , যেতা নিয়ে কুরেভ্যাক (CureVac) বর্তমানে গবেষণা করছে, সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেছিলেন। জার্মান এর খুবই নামকরা সাপ্তাহিক “ওয়েল্ট এম সনটাগ ” রিপোর্ট করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই সংস্থাটিকে সেখানে “এস্টাব্লিসত্ম” করার জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছিলো।
সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন কমিশন CureVac (কিউরভাক) কে ৮০ মিলিয়ন ইউরো প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং এই অর্থের ব্যবহারে ভ্যাকসিন উৎপাদন বাড়ানোর উদ্দেশে আরও একটি প্লান্ট বসানো হবে। ২০২২ সালে এই প্লান্টটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। “আমরা তখন সেখানে করোনার ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিবছর এক বিলিয়ন বা তারও বেশি ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করতে সক্ষম হবো” হাস সংবাদপত্রকে জানিয়েছেন। এই প্লান্টটি শুধু ” কোভিদ – ১৯” না, অন্যান্য ভ্যাকসিন “উদাহরণস্বরূপ যে কোনো প্রাদুর্ভাবের ক্ষেত্রে” ব্যবহৃত হতে পারে।
মার্চের মাঝামাঝি সময়ে, ঘোষণা করা হয়েছিল যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একচেটিয়াভাবে কর্নো ভ্যাকসিনটি সুরক্ষিত করার চেষ্টা করেছিলেন যা (CureVac) বর্তমানে গবেষণা করছে। জার্মান এর একটি নামকরা সাপ্তাহিক “ওয়েল্ট এম সোনটাগ“ রিপোর্ট করেছে যে CureVac (কিউরভাক) কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এসে তাদের গবেষণা চালানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে অর্থ প্রদানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
মাহাবুবুল হক/শুদ্ধস্বর ডটকমের বিশেষ প্রতিনিধি ।

