আমানত ৩২ কোটি টাকার হিসাব দিয়ে গেছেন মৃত্যুর আগেই

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সাবেক চারবারের চেয়ারম্যান ও পইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সৈয়দ আহমদুল হকের মৃত্যুতে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দুপুরে পইল উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামাল উদ্দিন। তাঁর কর্মময় জীবনে বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিকালে বিচার ও সালিশ কাজের ৩২ কোটি টাকার আমানত ছিল, যার হিসাব তিনি মৃত্যুর আগেই দিয়ে গেছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নিরঞ্জন দাস কামরুল হাসান জুনু, জ্ঞান সিন্ধু মল্লিক নানু, শংকর অধিকারী প্রমুখ।

এদিকে শুক্রবার বিকেলে সৈয়দ আহমদুল হকের জানাজায় লক্ষাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। সেখানে হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি এডভোকেট মো. আবু জাহির তাঁর নামে শায়েস্তানগর-পইল সড়কের নামকরণের ঘোষণা দেন।

জানাজার নামাজে আহমদুল হকের ছেলে পইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঈনুল হক আরিফ জানান, তাঁর বাবা সারাটি জীবন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও গণমানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করেছেন। জীবনের শেষ মুহুর্তে এসেও এই কাজ করেছেন। তাঁর এই কর্মময় জীবনে বিভিন্ন বিরোধ নিষ্পত্তিকালে বিচার ও সালিশ কাজের ৩২ কোটি টাকার আমানতের হিসাব দিয়ে গেছেন।

জানাজায় অংশ নেয়া লাখো মুসল্লি এই তথ্য শুনে বিস্মিত হয়ে যান। অনেকেই মন্তব্য করেন, তার মতো ব্যক্তিত্ব হওয়ার কারণেই এটি সম্ভব হয়েছে। যে কারো পক্ষে এটা সম্ভব নয়।

অনেকেই বলেছেন, আহমদুল হকের কাছে হাজার কোটি টাকা থাকলেও একটি পয়সা খেয়ানত হবে না, সেই বিশ্বাস রেখেইে মানুষ তাঁর কাছে টাকা-পয়সা আমানত হিসেবে রাখত।

শুদ্ধস্বর/আইকে

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.