মহামারী করোনায় মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ছাড়াল

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে আরও ১৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২০০৫ জন। জানা গেছে, আজ বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত নতুনভাবে ১৭৪৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে করে চীনে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৪১৮৫ জন হয়েছে। চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের বরাত দিয়ে আজ বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হুবেই প্রদেশে মৃত্যুর হার বেশি। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে সেখানকার উহান শহরে করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্ত হয়। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। ২৫ টির বেশি দেশে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে; তার মধ্যে ফিলিপাইন, হংকং, জাপান, ফ্রান্স ও তাইওয়ানে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় নিহত এবং আক্রান্তের সংখ্যা বিবেচনা করে চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশনের প্রত্যাশা, শিগগিরই করোনাভাইরাস আগ্রাসন থামাবে। কারণ, এরই মধ্যে কোভিড-১৯ নামক এই ভাইরাসের চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে। চীনের উহান শহরের চিকিৎসকরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, করোনাভাইরাস থেকে সেরে ওঠা ব্যক্তিদের শরীর থেকে ব্লাড প্লাজমা নিয়ে তা আক্রান্তের শরীরে দেওয়ার পর ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। প্লাজমা দেওয়ার ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গুরুতর রোগীও উঠে দাঁড়াতে পারছে। তবে এটা কেবলই চিকিৎসা পদ্ধতি, করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এখনো আবিস্কার হয়নি। ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ভ্যাকসিন ব্যবহার করেও ভালো ফল লাভের কথা জানিয়েছেন চীনের চিকিৎসকরা। গুরুতর অবস্থায় থাকা রোগীদের শরীরে ভ্যাকসিনটি দিয়ে কোনো ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ভালো ফল পাওয়া যাচ্ছে। চিকিৎসকদের প্রত্যাশা, ম্যালেরিয়ার ওই ভ্যাকসিন পরিমার্জন-পরিবর্ধন করে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা যেতে পারে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.