যে মেয়েটির উজ্জ্বল দুটি ভ্রমর চোখ
জোড়া ভ্রু-ঠোঁট
সরিষা মায়ার কলমী পায়ের পাতা
ঠিক তোমার মায়ের মতো
হাঁটছে ধীরে ধীরে ধীরে
যেন পৃথিবীর সব ভয় তাকে ঘিরে ধরেছে
উদাস দৃষ্টিতে দেখছে দিকে দিকে
চাপা ফুলের ঘ্রাণ তার বুকে
ভোরের সূর্যের মতো হাসি
নদীর বাঁকের মতো চাল
ঠিক তোমার মায়ের মতো…
প্রতি মাসে রক্তের স্রাবে ভাসা
ওর রয়েছে একটি জরায়ু
তোমাকে জন্ম দিয়েছে তাই
তার শরীরের রক্ত চুকচুক করে
খেয়ে তুমি বড় হয়েছো
দুটো স্তন তোমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে
যখন কোনোকিছু খেতে পারতে না তুমি
ছিলে নরম কাদার মতো,
কচি শাপলার মতো কোমল কোমল
তুমি বড় হলে
ওঁর চোখে জমলো শুধু একটি স্বপ্ন
তোমাকে মানুষ করবে বলে
পৃথিবী জয় করবে যে… প্র
তিদিন একটি ভালো কথা ভাবো
দুঃখী মানুষের দিকে তাকাও
যারা নষ্ট হতে চলেছে তাদের ফিরিয়ে আনো
তোমার দুটি হাতে একটি বৃক্ষ রোপন কর
তোমার দুটি চোখ ফুলের দিকে রাখো
তোমার স্বপ্ন সুন্দরকে বাঁচাবার জন্য ধরো
চারদিকে সবুজ আর সবুজ তাকে অবগাহন কর
তোমার রয়েছে একটি মন তাকে জয় কর…
তুমি কাজ কর মানুষকে ধন্য করবে বলে
তুমি এগিয়ে যাও দেশকে সফলতর করবে বলে
আবিষ্কার কর পৃথিবী মুঠোয় পুরবে বলে
তুমি ভালোবাসো কাউকে আপন করবে বলে
ঐ যে হাঁটছে মেয়েরা ওরা তোমার মা
তোমার সহোদরা
মাকে ধর্ষণ করো না
মাকে ধর্ষণ করো না
মাকে ধর্ষন করো না

খাতুনে জান্নাত

