মাদ্রাসা শিক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বহিস্কৃত অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া আওয়ামী লীগ নেতাদেরও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিচারের দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম।
শনিবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ ঢাকা দক্ষিণ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের ’১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিব নগর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায়’ তিনি এসব কথা বলেন।
নাসিম বলেন: আমাদের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্নেহভরে নুসরাতের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তিনি দিন রাত চেষ্টা করেছেন যেন নুসরাত বেঁচে ওঠে। সিঙ্গাপুরের চিকিৎসকরাও পরামর্শ দিয়েছিলেন নুসরাতকে বাঁচিয়ে তুলতে। অবিলম্বে নুসরাতের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
তিনি বলেন: ইতোমধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছে। এর যে মূল ঘাতক চিন্তা করা যায়! সে একজন মাদ্রাসা অধ্যাক্ষ সে জামায়াত ইসলামী করতো। জামায়াতীরাও তাকে বহিঃষ্কার করেছে। এখন দেখলাম একজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তাকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছিলো। আমি বলবো এ সমস্ত লোক আওয়ামী লীগ করতো না, এরা ক্রিমিনাল। এ ব্যক্তিকেও খুনির সঙ্গে একসঙ্গে বিচার করতে হবে, কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। আমাদের নেত্রী বলেছেন কোনো হত্যাকারীকে ছাড় দেওয়া হবে না। এরা আওয়ামী লীগের দুর্নাম করে।
অভিযোগ রয়েছে: সিরাজ সোনাগাজী ফাজিল মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ পদে টিকে থাকতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের শরণাপন্ন হন। আর তার এ কাজে সহায়তা করেন পৌর কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা শেখ আব্দুল হালিম মামুন।

