হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে কঙ্গোকে বিদায় করে ষোলোতে ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২’র ম্যাচে প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল ইংল্যান্ড।দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ৭৪ মিনিটে হ্যারি কেইন গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান। ফলাফল হয় ১-১।এরপর খেলা শেষ হওয়ার শেষ মুহুর্তে ৮৬ মিনিটে হ্যারি কেইন গোল করে জয় ছিনিয়ে নেন। ২-১ গোলে জিতেছে ইংল্যান্ড। শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর মোকাবিলা করবে ১৯৬৬’র বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আজ বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১১টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয় দুই দল।

নকাউটের লড়াইয়ে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছে ডিআর কঙ্গো। ম্যাচ শুরুর মাত্র ৭ম মিনিটেই বেনি সিপেঙ্গার দুর্দান্ত গোলে আফ্রিকার দলটি এগিয়ে যায়। এই চমৎকার গোলের উৎস অবশ্য অধিনায়ক শানসেল এমবেম্বা, তাঁর অ্যাসিস্ট থেকেই লিড নিল কঙ্গো। এরপর ইংল্যান্ড অনেক আক্রমণ করেছে কিন্তু গোলে দেখা পায়নি।

শক্তিমত্তার বিচারে কঙ্গোকে নিতান্তই পুচকেই বলা যায়। তাদের বিপক্ষে সহজ জয়ই পাবে ইংল্যান্ড, এমনটাই আশা ফুটবলপ্রেমীদের। কিন্তু ম্যাচের শুরুতেই পুরো ফুটবলবিশ্বকে স্তব্ধ করে দিল কঙ্গো।

 

ইতিহাস কিন্তু এখন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কথা বলছে! পরিসংখ্যান ঘাঁটলে দেখা যাচ্ছে, সেই ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির বিপক্ষে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর কেটে গেছে, কিন্তু বিশ্বকাপে প্রথমে গোল হজম করার পর আর কোনো ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়তে পারেনি থ্রি-লায়নরা।

যে কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হয়েছে ইউরোপ ও আফ্রিকার এই দুটি দল। ফলে ইংল্যান্ডের চমকে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। তবে এবারের বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার আফ্রিকার দলের মুখোমুখি হয়েছে তারা। গ্রুপ পর্বে ঘানার সঙ্গে খেলেছিল হ্যারি কেনরা। কিন্তু জিততে পারেননি। ম্যাচ ড্র হয়েছিল।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.