রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করে গুলশানের বাসায় উঠবেন।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। কিন্তু ইতোমধ্য সরকারের পক্ষ থেকে বঙ্গভবনে বার্তা পাঠানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির দপ্তরে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে বঙ্গভবন সূত্র জানিয়েছে।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি একই বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির মেয়াদ পাঁচ বছর। সেই হিসাবে তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের ২৩ এপ্রিল। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে তার মেয়াদের এখনো প্রায় এক বছর আট মাসের বেশি সময় বাকি রয়েছে।
বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “রাষ্টপতি বর্তমানে অসুস্থ। সম্প্রতি তাকে দুই দফায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিউরোলজি-সংক্রান্ত চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। আগামী মাসের প্রথম দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তার সিঙ্গাপুরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি সংবিধানের ৪৮ ও ১২৩ অনুচ্ছেদ এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুযায়ী সম্পন্ন হবে। প্রথমে নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এরপর মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই, আপত্তি নিষ্পত্তি এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের মতো প্রক্রিয়া শেষ হবে। যদি একজন বৈধ প্রার্থী থাকেন, তাহলে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। আর একাধিক বৈধ প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

