ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, তেহরান, কোম, মাশহাদ এবং ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় বিদায় অনুষ্ঠান ও দাফন-সংক্রান্ত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে শুধু নাজাফ ও কারবালাতেই প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতি ছিল বলে ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সন্ত্রাসী হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সপরিবারে নিহত হন। এরপর দীর্ঘ প্রস্তুতির পর গত শুক্রবার থেকে তার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এতে বিশ্বের ৪৫টিরও বেশি দেশের রাজনৈতিক নেতা এবং ৯০টিরও বেশি দেশের আলেম, পণ্ডিত ও প্রতিনিধিরা অংশ নেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া যাতায়াতের তথ্য, মোবাইল সিগন্যাল বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন স্বাধীন সূত্রের তথ্যের ভিত্তিতে জনসমাগমের এই হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

