জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একসময় ইউরোপে ট্রাম্পের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচিত হতেন মেলোনি। তবে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা পোস্টে ট্রাম্প তাঁর সমালোচনা করেছেন।
আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলন শেষে মেলোনিকে প্রশ্ন করা হয়, ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে যে রাজনৈতিক বিনিয়োগ করেছিলেন, তা নিয়ে তাঁর কোনো দ্বিতীয় চিন্তা বা অনুশোচনা আছে কি না।
জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমি যা করেছি, তা নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।’
গত এপ্রিল মাসে ট্রাম্প প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে মেলোনির সমালোচনা করেন।
এর আগে মার্চ মাসে মধ্যপ্রাচ্যগামী মার্কিন সামরিক বিমানের জন্য ইতালির সিসিলি দ্বীপের সিগোনেলা নৌ বিমানঘাঁটিতে অবতরণের অনুমতি দেয়নি ইতালি।
মেলোনি গত বছর ট্রাম্পের শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত একমাত্র ইউরোপীয় সরকারপ্রধান ছিলেন।
সম্প্রতি ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেলোনির দিকে তাকিয়ে থাকা একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ দরকার।’ তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন মেলোনি।
তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

