ওয়াশিংটনের এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা এনবিসি-কে জানিয়েছেন যে, ট্রাম্প বর্তমানে ইরান যুদ্ধের কূটনৈতিক বা সামরিক বিকল্প নিয়ে আলোচনা করছেন এবং এই সিদ্ধান্তে চীনের সফরের সময়সূচি এবং পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুদ্ধের পরিস্থিতির কারণে সফরটি কিছু সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল, তবে বর্তমানে ১৪ ও ১৫ মে নির্ধারিত সফরটি প্রাধান্য পাচ্ছে এবং আর কোনো দেরি করা হবে না, এমনই ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, নিউ ইয়র্ক টাইমসের রিপোর্টে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ পরিস্থিতি চীনের সফরের আগের পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে। চীন ইতোমধ্যে যুদ্ধ থামাতে ভূমিকা রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন চীনের তেল শোধনাগার ও শিপিং কোম্পানির বিরুদ্ধে ইরানের সঙ্গে তেল ব্যবসা করার অভিযোগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
চীনের জন্যও হরমুজ প্রণালি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক পথ, যেখান দিয়ে তারা তেলের বড় অংশ আমদানি করে থাকে, তবে গত মার্চ থেকে এই পথ বন্ধ রয়েছে।

