মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক শান্তি আলোচনার মঞ্চ হিসেবে প্রস্তুত পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। এই অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক সফরকে ঘিরে পুরো শহর এখন এক দুর্ভেদ্য দুর্গে পরিণত হয়েছে। নজিরবিহীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসলামাবাদ প্রশাসন ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করার পাশাপাশি দুই দিনের বিশেষ স্থানীয় ছুটি ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে প্রতিনিধিদের পথ সুগম করতে ভিসা ছাড়াই দেশটিতে প্রবেশের বিশেষ অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার।
১০ হাজার নিরাপত্তা কর্মী ও ত্রিমাত্রিক সুরক্ষা বলয়
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে বিশাল কর্মীবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, তার নেতৃত্বে রয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী।
পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকি করছে সেনাবাহিনী। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে আধাসামরিক বাহিনী ‘রেঞ্জার্স’, ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল পুলিশ এবং পাঞ্জাব পুলিশ।
রাজধানী পুলিশ থেকে ৬ হাজার, পাঞ্জাব কনস্টাবুলারি থেকে ৩ হাজার এবং ফ্রন্টিয়ার কনস্টাবুলারি থেকে ৯০০ কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও সামরিক বাহিনীর বিশেষ কন্টিনজেন্ট এবং ‘কুইক রেসপন্স ফোর্স’ (কিউআরএফ) শহরের বিভিন্ন কৌশলগত পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
সেই সঙ্গে আকাশপথে নজরদারির পাশাপাশি শহরের উচ্চতম স্থান মার্গাল্লা পাহাড়ের চূড়ায় এবং সংলগ্ন বনভূমিতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে যাতে ওপর থেকে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

