আন্তর্জাতিক নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষ চরম তাপপ্রবাহের শিকার হতে পারেন, যার মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে চিহ্নিত।
গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এবং নেচার সাসটেইনেবিলিটি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে। এতে উচ্চ রেজুলেশনের জলবায়ু ও জনসংখ্যাভিত্তিক মডেল ব্যবহার করে ‘কুলিং ডিগ্রি ডেইজ’ সূচকের মাধ্যমে চরম তাপপ্রবাহের ঝুঁকি নিরূপণ করা হয়েছে।
গবেষণায় আরো দেখা গেছে, ২০১০ সালে বৈশ্বিকভাবে চরম তাপে বসবাসকারী মানুষ ছিল প্রায় ১৫৪ কোটি, যা ২০৫০ সালে ৩৭৯ কোটি বা ৪১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। বিশেষভাবে বাংলাদেশে জাতীয় গড় তাপমাত্রা ঝুঁকি আড়াল করলেও, বাস্তবে অধিকাংশ মানুষ বছরে ৩ হাজার CDD-এর বেশি চরম তাপের মধ্যে বসবাস করবেন।
গবেষকরা সতর্ক করেছেন, চরম তাপের কারণে হিটস্ট্রোক, হৃদরোগ ও কিডনির ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে, বিশেষ করে বয়স্ক, শিশু ও সীমিত আয়ের মানুষদের জন্য। পাশাপাশি শীতলীকরণের চাহিদা বৃদ্ধি, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ত্বরান্বিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গবেষকরা মনে করছেন, যদি বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি রাখা যায়, তবে চরম তাপে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

