২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানি পেশায় একজন দোকানব্যবসায়ী। তিনি ইরানের রাজধানী তেহরানের উপকণ্ঠে কারাজ এলাকায় বসবাস করতেন।
আদালতের বিচারপ্রক্রিয়ায় সোলতানির পরিবারের কোনো সদস্য কিংবা ঘনিষ্ঠ স্বজনকে উপস্থিত থাকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি তার বোন, যিনি একজন নিবন্ধিত ও পেশাদার আইনজীবী, তাকেও আদালতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান।
এরফানের আত্মীয় সোমায়েহ নামের এক নারী সিএনএনকে বলেন, আমরা জানতে পেরেছি যে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি। তবে এখনো দণ্ড পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি। আমরা নতুন তথ্যের অপেক্ষায় আছি।
পরে মানবাধিকার সংস্থা হেনগাও এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করে যে এরফান সোলতানির মৃত্যুদণ্ড আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আশ্বাস পেয়েছেন যে, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের হত্যাকাণ্ড বন্ধ হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই।

