German conservative candidate for chancellor and Christian Democratic Union (CDU) party leader Friedrich Merz attends a press conference following the German general election in Berlin, Germany, February 24, 2025. REUTERS/Liesa Johannssen

ডনবাস ছেড়ে দেওয়ার দাবি ফ্লোরিডা ছাড়তে বলার সমতুল্য : মের্জ

জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্জ ইউক্রেনের ডনবাস অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, কিয়েভকে ডনবাসের অবশিষ্ট অংশ ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া ঠিক তেমনই, যেমন যুক্তরাষ্ট্রকে ফ্লোরিডা ছাড়তে বলার চেষ্টা করা হয়। মের্জের মন্তব্য ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও ইউরোপীয় দেশগুলোর দায়িত্বের প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

 

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, মের্জ গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে বলেন, ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউরোপের প্রত্যেকটি দেশের অংশগ্রহণ থাকা প্রয়োজন। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কারা অংশ নেবে—এ প্রশ্নে একেবারেই পরিষ্কার যে সমগ্র ইউরোপকে অংশ নিতে হবে।” মের্জ রাশিয়ার দাবি উল্লেখ করে বলেছেন, কিয়েভকে ডনবাসের অবশিষ্ট মুক্ত অঞ্চল ছাড়তে বলা হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রকে ফ্লোরিডা ছাড়তে বলার সমান। তিনি কিয়েভ ও মস্কোর আলোচনার কৌশলকেও সমালোচনা করেছেন।

 

ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির বৈঠকের পর মের্জ বলেন, এটি ইউক্রেনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। তিনি সংশয় প্রকাশ করেন যে, জেলেনস্কি উপস্থিত থাকলে পুতিন বৈঠকে আসার সাহস দেখাবেন কি না। মের্জ ট্রাম্পের ঘোষণাকে স্বাগত জানান এবং বলেন, “নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার প্রত্যাশা শুধু পূরণই হয়নি, বরং অতিক্রম করেছে।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় পুরো ইউরোপকেই অংশ নিতে হবে।”

 

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উল্লেখ করেছেন, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান সংঘাত সমাধানের জন্য উভয় পক্ষকেই কিছু ভূখণ্ড ছাড়তে হবে। মের্জের বক্তব্য এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকা ও দায়বদ্ধতার গুরুত্বকে আবারও সামনে এনেছে। তথ্যসূত্র : বিবিসি

messenger sharing button
facebook sharing button
whatsapp sharing button
copy sharing button
sharethis sharing button

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.