ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের জন্য মার্কিন মসনদে বসেছেন গক জানুয়ারিতে। নিয়ম অনুযায়ী, এটাই ওঁর শেষবারের জন্য প্রেসিডেন্টের কুরসিতে বসা। কেননা দু’বারের বেশি ওই পদে থাকা যায় না। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্নটা এখন থেকেই উঠে পড়েছে, ট্রাম্পের পর কে? যদি রিপাবলিকানরাই ফের ক্ষমতায় আসেন তাহলে জেডি ভ্যান্স কিংবা মার্কো রুবিওদের নাম উঠে আসতেই পারে। কিন্তু সেই আসনে নিজেকে দেখতে চাইছেন ট্রাম্পপুত্র এরিক। তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন ৪১ বছরের ব্যবসায়ী। এতকাল বাবার বাণিজ্য-সাম্রাজ্য দেখভাল করে এসেছেন। কিন্তু এবার নিজেকে হোয়াইট হাউসে দেখতে চাইছেন এরিক।
এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এরিক বলেন, ”যদি আমি রাজনীতিতে আসার সিদ্ধান্তই নিই, তাহলে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার পথ আমার জন্য কঠিন হবে না।” সেই সঙ্গেই বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। বেশ কয়েকজন নির্বাচিত মার্কিন সেনেটর সম্পর্কে খোঁচা দিয়েই তিনি জানাচ্ছে, তাঁদের চেয়ে তিনি রাজনৈতিক ভূমিকা অনেক ভালোভাবে পালন করতে পারবেন। যদিও এরপরই তিনি কার্যতই নিজেকে প্রশ্ন করেছেন, ”কিন্তু প্রশ্নটা হল, তুমি কি তোমার ভালোবাসার মানুষদের এই ব্যবস্থার বর্বরতার শিকার করতে চাইবে?”
ট্রাম্পের বাকি দুই সন্তানের রাজনৈতিক পরিচয় থাকলেও নিজেকে এতদিন আড়ালেই রেখেছেন এরিক। ডোনাল্ড জুনিয়র কিংবা ইভাঙ্কা ট্রাম্পের মতো করে নয়, নিজেকে আলোকবৃত্তে না রেখেই চুপিসারে বাবার ব্যবসা দেখে এসেছেন। কিন্তু তাঁর এদিনের মন্তব্য থেকে পরিষ্কার, তিনি নিঃশব্দে সবদিকেই খেয়াল রেখেছেন। এবং এবার চাইছেন রাজনৈতিক মঞ্চে নেমে পড়তে। ২০২৪ সালে শেষবার ব্যালটে ট্রাম্পের নাম দেখা গিয়েছে কিনা একথা জানালে এরিক অবশ্য বলছেন, ”সেটা সময় বলবে। তবে আমার চেয়েও যোগ্য মানুষেরা আছেন।” অর্থাৎ স্রেফ অকারণ স্বপ্ন দেখতে চাইছেন না ট্রাম্পপুত্র। বাস্তবটাকে বিচার করে তবেই তিনি এগোতে চাইবেন মার্কিন মসনদের দিকে, এদিন তাঁর মন্তব্য থেকেই এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে।

