সম্প্রতি কেবিসি অনুষ্ঠানে অতিথি প্রতিযোগী হিসাবে হাজির হয়েছিলেন বিক্রান্ত ম্যাসি এবং ‘টুয়েলভথ ফেল’ খ্যাত পুলিশকর্তা আইপিএস মনোজ শর্মা। সেখানেই তাঁদের সঙ্গে গল্প-আড্ডা করার ফাঁকে অমিতাভ জানান, ওই বিখ্যাত দৃশ্যের শুটিংয়ের এক অজানা ঘটনা। ‘বিগ বি’ জানান যে গুন্ডাদের সঙ্গে ‘বিজয়’-এর মারপিটের দৃশ্যের বেশ কিছুদিন পর বন্দরের একটি গুদামের দরজা খুলে বেরিয়ে আসার ওই দৃশ্যটি র শুটিং হবে। তখন অমিতাভের মাথায় এল, এর আগের দৃশ্যে যেখানে দর্শকেরা দেখবেন খালি হাতে অতগুলো গুন্ডাকে পেটালো বিজয়, তাহলে সে নিশ্চয়ই ফুরফুরে থাকবে না। বরং ক্লান্ত, খানিক অবসন্ন-ই হবে। তাই শুটিং শুরু হওয়ার আগে গোটা বন্দর এলাকা জুড়ে টানা ১০ বার দৌড়েছিলেন ‘বিগ বি’। যাতে সেসবের শেষে তাঁর গোটা শরীর বেয়ে ঘাম চুঁয়ে পড়ে, অসম্ভব ক্লান্তি মুখেচোখে ফুটে ওঠে, তবেই না বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে দর্শকের। এবং শুটিংয়ের মধ্যে থাকা এই কয়েকদিনের তফাতটুকুও ঘুণাক্ষরে টের পাবেন না তাঁরা। এবং আদতে হয়েছিল তাই! পর্দায় ওই দৃশ্যে ক্লান্ত-অবসন্ন লেগেছিল অমিতাভকে! হাঁফাতে হাঁফাতে কুলিদের ঠেলে সরিয়ে কল খুলে জলের তোড়ের নীচে নিজের মাথা পেতে দিয়েছিল সে! নিশ্চয়ই সে দৃশ্যে অভিনয়ের ছোঁয়া ছিল। কিন্তু ‘বিজয়’-এর ক্লান্তিভাব আরও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছিল অমিতাভের করা ওই কাণ্ডটির জন্য।
প্রসঙ্গত, সেলিম খান এবং জাভেদ আখতার যৌথ ভাবে লিখেছিলেন ‘দিওয়ার’-এর চিত্রনাট্য। পরিচালক যশ চোপড়া তখন ‘গরদিশ’ ছবির শুটিং করছিলেন। ‘দিওয়ার’-এর চিত্রনাট্য শুনে এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যশ, যে ‘গরদিশ’-এর কাজ স্থগিত রেখে ‘দিওয়ার’-এর কাজ

