এমবাপ্পের গোলে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স

পোল্যান্ডের সঙ্গে ড্রয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ইউরোর শেষ ষোলোয় চলে গেল ফ্রান্স। মঙ্গলবার গ্রুপ ডি থেকে এক নম্বর দল হিসেবে প্রি-কোয়ার্টারে অস্ট্রিয়া। এদিন ডাচদের ৩-২ গোলে হারিয়ে ইউরোয় অঘটন ঘটায় অস্ট্রিয়া। চার পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে নেদারল্যান্ডস।‌ বেস্ট অফ থ্রি হিসেবে এখনও পরের রাউন্ডে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে ডাচদের।

মঙ্গলবার ডর্টমুন্ডে ১-১ গোলে ড্র হয় ফ্রান্স-পোল্যান্ড ম্যাচ। তুমুল লড়াইয়ের পরও কোনো দলই ফিল্ড গোল করতে পারেনি। দুটো গোলই পেনাল্টি থেকে। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে করা কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। ৭৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকেই সমতা ফেরায় পোল্যান্ড।

এদিন হারলেই ইউরো থেকে ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কা ছিল। তাই শুরু থেকেই মাস্ক পরে নামিয়ে দেওয়া হয় এমবাপ্পেকে। খেলেন শেষ পর্যন্ত। কিন্তু একাধিক গোল মিস করেন। হ্যাটট্রিক পেতে পারতেন ফ্রান্সের অধিনায়ক। কিন্তু বিশ্বকাপের ছন্দে নেই এমবাপ্পে। ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচের দিনই সেটা বোঝা গিয়েছিল। তবে ইউরোয় গোলের খাতা খুললেন। পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে এলো তার প্রথম গোল। ২০২০ ইউরোতে খেললেও প্রথম চার ম্যাচে গোল পাননি। প্রি-কোয়ার্টার থেকে ছিটকে যায় ফ্রান্স।

কিউয়িওরকে বক্সের মধ্যে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় ফ্রান্স। ৫৬ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপে। তবে এই একটি মুহূর্ত ছাড়া পোল্যান্ডের গোলকিপার স্কোরাপস্কির সাথে তার দ্বৈরথে, বিজয়ী পোলিশ কিপার। একাধিকবার ফরাসি তারকাকে গোলমুখ থেকে ফেরত পাঠান স্কোরাপস্কি। নয়তো অনায়াসেই ম্যাচটা জিততে পারত ফ্রান্স। ডেম্বেলেও সহজ সুযোগ মিস করেন। অন্যদিকে বেশ কয়েকবার চেষ্টা করেন লেওয়ানডস্কি। কিন্তু লাভ হয়নি।

ম্যাচের ৭৬ মিনিটে সুইডারস্কিকে বক্সের মধ্যে উপামেকানো ফাউল করায় পেনাল্টি পায় পোল্যান্ড। প্রথমে তাঁর শট বাঁচিয়ে দেন মাইক মাইগনান। কিন্তু লেওয়ানডস্কি শট নেয়ার সময় লাইন ছেড়ে বেরিয়ে আসে ফরাসি কিপার। আবার পেনাল্টি নেয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। একই ভঙ্গিমায় দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় ১-১ করেন পোল্যান্ডের তারকা ফুটবলার। ম্যাচের শেষদিকে ফ্রান্স কয়েকটা সুযোগ পেলেও সেটা স্কোরলাইন বদলাতে পারেনি।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.