প্রফেসর ইউনূস ও আদালতের চরমপত্র

জলের শ্যাওলা– অমি একজন ক্ষুদ্রজন হয়েও বুকে সাহস নিয়ে গত তিন বছর পূর্বে আমার লেখা “প্রত্যাশার বাংলাদেশ” নামক প্রবন্ধের বইটিতে বাংলাদেশের তিনজন বিখ্যাত ব্যক্তিদের নিয়ে তিনটি লেখা লিখেছিলাম। আমার জ্ঞান, বুঝ আর ভাবনায় সেই তিনজন ব্যক্তি হলেন, প্রয়াত স্যার ফজলে হাসান আবেদ (ব্র্যাক প্রতিষ্ঠাতা), প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাক্তার জাফরউল্লাহ চৌধুরী এবং প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। এখানে একটি কথা বলা ভাল যে, ইউনূস নামটিই যথেষ্ট হয় বিশ্ব জুড়ে। এই নামের সাথে ডক্টর/ প্রফেসর লাগানোর কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না। তবে হ্যা আমি নিজেও প্রফেসর ইউনূস লিখি বা আমার ধারণা প্রফেসর উপাধিটাই উপযুক্ত হয় ডক্টর এর চেয়েও। বর্তমানেতো উনার নামেই ডক্টরেট হচ্ছে। যাকগে সে কথা।

এই আমি যে একজন ক্ষুদ্রজন হয়েও উনাদের মতন বিশাল মাপের তিনজন মানুষকে নিয়ে লেখার হীম্মত দেখিয়েছি, সেই আমিই আবার ডাক্তার জাফরউল্লাহ ও ইউনূস নিয়ে সমালোচনা করেও লেখার হীম্মত দেখিয়েছি। না ওটা হীম্মত নয়। বরং শ্রদ্ধার সাথেই আপন বুঝে সমালোচনা করেছি। তবে স্যার ফজলে হাসান আবেদ উনাকে নিয়ে আমার কোন সমালোচনা মূলক লেখা নেই।

এমনকি ডাক্তার জাফরউল্লাহ চৌধুরীকে নিয়েও যে সমালোচনা লিখেছিলাম, সেই লেখার একটি লিংক উনাকে আমি WhatsApp এ পাঠিয়েও ছিলাম। ডাক্তার জাফরউল্লাহ চৌধুরী আমাদের শুদ্ধস্বর সংলাপে বেশ কয়েকবার অতিথি হয়ে এসেছিলেন। তখন অফ লাইনে উনাকে বিষয়টি বলেছিলাম, কি বিষয়ে সমালোচনা লিখেছি। উনি এত বড় মাপের মানুষ ছিলেন যে, আমাকে বলেছিলেন আপন ভাবনা কলমে লিখে রাখা ভাল এবং অবশ্যই ভাল। আরও কত চমৎকার উপদেশ দিয়েছিলেন, যেমন ছোটো বা সংকুচিত হৃদয়ের সত্য লেখা যায় না, ইত্যাদি।

কি ছিল সেই সমালোচনার লেখা ? উনার প্রয়াত হবার বছর দুয়েক পূর্বে আমার কেন জানি মনে হতো, উনি বয়সের ভারে আছেন এবং মানুষজন উনাকে দিয়ে অনেক কথাই বলিয়ে নিচ্ছেন, স্বার্থ উদ্ধারে। রাজনীতির কথাই বলছি।

আমার লেখাটি ছিল, (অবশ্যই শতভাগ সম্মানের সাথে) ডাক্তার জাফরউল্লাহ, আপনার এই বয়সে সবার মাঝে গিয়ে, কারো প্ররোচণায় সব কথা না বলাই উত্তম। লক্ষ্য করে থাকবেন উনার মৃত্যুর বছর দুয়েক পূর্বে উনার বহু বচন নিয়ে বেশ সমালোচনা ও বিভক্তি দেখা দিয়েছিল রাজনীতিতে। যে বিএনপি ডাক্তার জাফরউল্লাহ বলতে উদার ও মহান ছিল। সেই বিএনপির বহু নেতাই ডাক্তার জাফরউল্লাহ চৌধুরীর চৌদ্দগুষ্ঠী নিয়ে বয়ান করতো। এমন বহু কাহিনী বিএনপির সাথেই ঘটেছে। কেননা এই দেশে বচন পক্ষে গেলে ফেরেশতা ও মহামানব বানাবে এবং বিপক্ষে গেলেই শয়তান বানিয়ে ছাড়বে, বিশেষ করে রাজনীততে। ডাক্তার জাফরউল্লাহ চৌধুরীকে তেমন শয়তান বানিয়েছিলেন আমাদের রাজনীতিবিদরাই। অবশ্য এমন রাজনৈতিক কর্ম দেখে এই দেশের জনগণ বেশ অভ্যস্ত বটে।

প্রফেসর ইউনূস, উনি বছর খানেক আগেই আদালতের হুকুমে ১২ কোটি টাকা ট্যাক্স বা কর পে করেছিলেন (কর ফাঁকির মামলায়/ যদি ভুল না করি)। সেই সময়ে আমি নিজেই প্রফেসর ইউনূসের চরম সমালোচনা করে লিখেছিলাম এবং আজকেও মনে করি আমার সেই সমালোচনা আমার দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক ছিল এবং আমি সেই সমালোচনার বিষয়ে এখনও দৃঢ়মত পোষণ করি।

প্রফেসর ইউনূস নিয়ে কি বিষয়ে সমালোচনা লিখেছিলাম? কর ফাঁকি নিয়ে। আসলে কর ফাঁকি কাকে বলে ? সহজভাবে বলা যায় যে, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে করদাতা আইনকে ফাঁকি দিয়ে বা আয় কর আইন অমান্য করে বা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কর প্রদান করে না বা কম প্রদান করে, তাহাই মূলত কর ফাঁকি।

কর ফাঁকির বিষয়ে প্রফেসর ইউনূস কি করেছেন ? প্রফেসর ইউনূস তার যে অর্জিত অর্থ বৈধ পথে ব্যাংকিং চ্যানেল দিয়ে বাংলাদেশে এনেছেন এবং সেই অর্থ দিয়ে দুটি ট্রাস্ট গড়েছেন। একটি ট্রাস্ট হলো, তার পরিবারের সদস্যদের জন্য মোট অর্থের ৬ শতাংশ এবং আরেকটি ট্রাস্ট জনসাধারণের জন্য জনকল্যাণে মোট অর্থের ৯৪ শতাংশের। একেবারেই সহজ হিসেব তিনি সব অর্থ এই দুটো ট্রাস্টে দান করেছেন।

প্রফেসর ইউনূসের আইনজীবীর দাবী অনুযায়ী জনকল্যাণে দান করা অর্থের কর পরিশোধ করা লাগবে না। প্রফেসর ইউনূসের যে আয়কর রিটার্ন আছে, সেখানে এই অর্থের পরিমাণ উল্লেখ করা আছে। দান করেছেন সেটাও উল্লেখ আছে এবং কিছুই লুকোচুরি বা গোপন করেননি। আয়কর বিভাগ বলেছে, এই অর্থের কর পরিশোধ করতে হবে। তবে প্রফেসর ইউনূসের আইনজীবীর দাবী এই কর আইন অনুযায়ী প্রধান করা লাগবে না। প্রফেসর ইউনূসের আইনজীবী আদালতের কাছে জানতে চেয়েছিলেন এই অর্থের কর দেওয়া আইন সম্মত কিনা বা কর দিতে হবে কিনা ?

আদালতের রায় ছিল অবশ্যই কর আইন অনুযায়ীই পরিশোধ করতে হবে এবং ঠিক তার পরেরদিন ১২ কোটি টাকা প্রফেসর ইউনূসের ট্রাস্টি সেই টাকা প্রদান করে। সেই সময়ে জাতীয় পত্র- পত্রিকায় সব প্রচার পেয়েছিল। যেহেতু আদালতে প্রফেসর ইউনূসের আইনজীবী জানতে চেয়েছিলেন (যদিও হঠাৎই) এবং আদালতের আইনের হুকুমে পরিশোধ করেছেন, তা হলে সেটার আবার কিসের সমালোচনা। হ্যা সেই সমালোচনাটাই আমি প্রফেসর ইউনূসকে নিয়ে লিখেছিলাম। লিখেছিলাম, হঠাৎই আয়কর দেওয়া প্রয়োজন কিনা ? এমন উপলব্ধি কেন হলো ? নিশ্চয়ই ডাল মে কুল কালা হেয়। আমার সমালোচনাটি ছিল (অবশ্যই শতভাগ সম্মানের সাথে), প্রফেসর ইউনূস নিশ্চয়ই দুধের শিশু নন যে হঠাৎই কর দেওয়া লাগবে বা লাগবে না, সেটা জানতে উনার আইনজীবীদের আদেশ দিয়েছেন এবং উনার আইনজীবীরা বিচারকের আদালতের দরজায় করের আত্মার শুদ্ধি করতে গিয়েছেন।

আমরা কে না জানি এই সরকার আর প্রফেসর ইউনূস সাপে- নেউলে সম্পর্ক। সরকার মনে করে প্রফেসর ইউনূস মার্কিনীদের সাথে নিয়ে বা তাঁর পরামর্শে বিশ্ব ব্যাংক পদ্মাসেতুতে ঋণ বন্ধ করে দিয়েছিল। সরকার মনে করে যে, প্রফেসর ইউনূস ক্ষমতায়ন হতে চেয়েছিল হাসিনা সরকারকে বারো হাত দেখাতে। সরকার মনে করে যে, প্রফেসর ইউনূস বিশ্বে বহু কিছু করলেও দেশের জন্য মূলত কিছুই করেনি। এমনকি দেশের জাতীয় বিষয়ে একটি বিবৃতিও প্রদান করে না। সুতরাং প্রফেসর ইউনূস ইজ এ ব্যাড ম্যান। তাকে দৌড়ের উপর রাখো এবং সেটা এই সরকার রেখেছেও বটে।

এই সরকারের দৌড়ের উপরেই মূলত হঠাৎ করেই প্রফেসর ইউনূসের জানতে ইচ্ছে হলো, ট্রাস্টের দান করা টাকার কর দেওয়া লাগবে কিনা ? এটা প্রফেসর ইউনূসের পক্ষে যারা অতি সরলীকরণ করতে চাচ্ছেন, বিষয়টি অবশ্যই অবশ্যই অতটা সরল নয় এবং প্রফেসর ইউনূসের মতন জগত বিখ্যাত মানুষের এমন কাজে সায় দেওয়া ঠিক হয়নি এবং আদালতের রায় সেটারই প্রমাণ করে। ঠিক এই বিষয়টি নিয়েই আমার সমালোচনা ছিল এবং আমি আজও সেই একই মতে আছি, কোন ভিন্নতা বা সিমপ্যাথি নেই। প্রফেসর ইউনূসের মতন এত বড় মাপের মানুষকে নিয়ে সমালোচনা করেছি, তার মানে মোটেও এমনটা নয় যে, প্রফেসর ইউনূসের প্রতি আমার সম্মান কমে গেছে। কমেনি উল্টো সর্বদাই সম্মান করি এবং সেই সম্মানটি কেন করি? তেমন কিছুই আমার প্রত্যাশার বাংলাদেশ বইটিতে পাওয়া যায়। সহজ ভাষায়, প্রফেসর ইউনূসের এই বাংলাদেশে নারীদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে বহু অবদান এবং বিশ্ব জুড়েই সর্বজন পরিচিত উনার কর্ম দ্বারাই।

প্রফেসর ইউনূসের সমালোচকরা যারা সরকারকে খুশি করতে (যেহেতু সরকার ও ইউনূস সাপে- নেউলে সম্পর্ক) খুব সহজ ভাষায় বলে দেন বা প্রশ্ন তুলেন, প্রফেসর ইউনূস দেশের জন্য কি করেছেন ? এমন প্রশ্ন শুনলে খুব বেশি অবাক হই না কারণ এই দেশ জোয়ার- ভাটার দেশ এবং আমাদের বেশিরভাগ জ্ঞানি- গুণী- বিদ্বান ও বুদ্ধিজীবীরা সেই জোয়ার- ভাটায় সময়ের হিসেব কষে সাঁতার কাটতে বেশ পারদর্শী বটে। ছোট্ট করে বলি, প্রফেসর ইউনূস বাংলাদেশে, ‘গ্রামীন ব্যাংক- গ্রামীন শক্তি- গ্রামীন ফৌন’ এমন সব বড় বড় প্রতিষ্ঠান সহ অন্তত ৬০টির কাছাকাছি প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছেন এবং যেখানে লাখ লাখ কর্মসংস্থানের যোগান হয়েছে এই গরিব দেশে।

এই প্রতিষ্ঠানগুলোর কথা বললাম, এগুলোর বিস্তারিত লিখতে গেলে বিশাল লেখা লিখতে হবে। তবে এক কথায় বলি, এত এত প্রতিষ্ঠান যা প্রফেসর ইউনূসের নিজ হাতে গড়া, সেই সব প্রতিষ্ঠানে প্রফেসর ইউনূসের এক পয়সার শেয়ার নেই এবং তিনি মুনাফার এক কানা কড়িও নিজে গ্রহণ করেন না। এমনকি দেশে ও বিদেশে প্রফেসর ইউনূসের নামে কোন সম্পদ নেই। তিনি কোথাও কোন সম্পদের মালিক নন। এত কিছুর পরেও আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে মনে হয় প্রফেসর ইউনূস এই বাংলাদেশের মতন কম শিক্ষিত দেশে নারীদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে যে সহযোগিতা করেছেন, সেটার মূল্য কোন কিছু দিয়ে হবার নয়। এই বিষয়টি স্রেফ অর্থনৈতিক নয়। এখানে একটি বড় মনোবিজ্ঞানের সংযোগ রয়েছে, অবশ্যই।

ছোট্ট করে বলি, প্রফেসর ইউনূস বিশ্ব জুড়েই কেবলমাত্র একজন ব্যক্তি হিসেবে নয়, একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত পাওয়া মানুষ। প্রফেসর ইউনূস মানেই বিশ্বে পরিচিতি পাওয়া একটি প্রতিষ্ঠান এবং প্রফেসর ইউনূস নিয়ে বিশ্বে শতকের বেশি দেশে দেশে গবেষণা হয়। প্রফেসর ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা এখন বিশ্বের বহু দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার সাবজেক্ট। প্রায় দুইশতটির মতন দেশে গ্রামীন ব্যাংকের কার্যক্রম চালু আছে। বিশ্ব ব্রক্ষ্মাণ্ডের সবচাইতে বড় বড় বিজনেস ম্যাগনেট থেকে শুরু করে বড় বড় বিদ্বানজনেরা প্রফেসর ইউনূসের দুটি বচন শুনতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন। এমন কি ২৪ এর অলিম্পিক গেমস এর মূল থিম এবার প্রফেসর ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা বিষয়ে। ও হ্যা, সামাজিক ব্যবসা কি ? এটা বিশদ এখানে লিখছি না। তবে ছোট্ট করে বলি, বিনা লাভের ব্যবসা তবে কর্মসংস্থানের জোগান।

প্রফেসর ইউনূসের বিরুদ্ধে মামলায় রায় হয়েছে এবং ছয় মাসের কারাদণ্ড সহ অর্থনৈতিক সাজা। কি মামলা ? সহজ ভাষায় প্রফেসর ইউনূসের প্রতিষ্ঠানে শ্রমঅধিকার ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে । অর্থাৎ শ্রমিকদের স্থায়ী করা হয়নি, এমন মামলা। মামলাটি সম্ভবত এই দেশে সর্বোচ্চ সনিক গতির মামলা এবং সনিক গতির বিচার এবং সাজা। দেশের পত্রিকায় দেখলাম, এতটাই দ্রুত গতিতে সব হয়েছে যে, রাত আটটা পর্যন্ত মামলার শুনানি করা হয়েছে। প্রায়শই শুনি, বাংলাদেশের বিচারকেরা বিকাল তিনটার পরে এজলাসে বসেন না । রাত আটটায় দ্বিতীয় কোন মামলার শুনিনি বাংলাদেশের আদালতে হয়ে থাকলেও এই মূহূর্তে আমার স্মরণ হচ্ছে না । তবে উদহারণ খুঁজে পাওয়া মুশকিল হবে নিশ্চিত।

কোন জরিপ দেখাতে পারবে না তবে এটা নিশ্চিত যে বাংলাদেশে শত শত প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান ও এনজিও আছে, যারা একটি শ্রমিককেও চূড়ান্তভাবে স্থায়ী করে নাই। প্রশ্ন জাগে সেইসব প্রতিষ্ঠান বা এনজিওগুলোর বিরুদ্ধে একটি মামলাও কি হয়েছে ? উত্তরটি হলো সরাসরি, না। ঠিক সেখানেই প্রশ্ন উঠে তাহলে কেন প্রফেসর ইউনূসের মতন বিশ্বের একজন সম্মানিত বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে সনিক গতিতে মামলা এবং সনিক গতিতে সাজা ? সিলেক্টিভিটি (Selectivity ) বা ইচ্ছাকৃতভাবে বেছে নেওয়ার (the act of intentionally choosing) এমন প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক বটে।

সামনে দেখা যাক কি হয় ? কে বড় ? উচ্চ আদালত, নাকি, সরকারের লম্বা হাত ? তবে হ্যা আদালতের হাত যে বেশি লম্বা হয়, সেটা দেখানোর হীম্মত লাগে আইন ও বিচার বিভাগের। বিগত দিনে আমাদের বিচার বিভাগের হাত লম্বা না খাটো হয়েছে ? সেটাতো বলা মুশকিল তবে জনগণ কিন্ত সবই জানে। শুধুমাত্র রাও বা আওয়াজ করে না।

লেখার শেষে বলি: নিরপেক্ষ (!) আদালতের দ্বারা প্রফেসর ইউনূসের প্রতি এমন চরমপত্র প্রদান নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে এবং ঘড়ির কাটায় সময় যদি কখনো থমকে যায়, সেদিন দেশের আদালতে ভাগ্যে যদি কখনো এমন চরমপত্র কুরিয়ার সার্ভিসে চলে আসে জনগণের দ্বারা, সেদিন অবাক হব না।

 

বুলবুল তালুকদার 
শুদ্ধস্বর ডটকম 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.