আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি প্রয়োগ শুরুর পর দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। ভিসানীতির আলোচনায় চাঙ্গা এখন রাজনীতির মাঠ। অন্যসব ইস্যু ছাপিয়ে বিশ্বের প্রভাবশালী দেশের এমন পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্কে মেতে আছে বড় দুই দল। টেলিভিশন টকশোতেও এ নিয়ে চলছে পাল্টাপাল্টি আলোচনা। এবার এ বিষয়ে কথা বললেন আইনজীবী, রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া।
দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে তিনি বলেছেন, ‘গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলম এবং আলোচিত ইউটিউবার হিরো আলম ভিসানীতির জন্য দায়ী।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এবার যখন জাহাঙ্গীরের মা জায়েদা খাতুন নির্বাচন করল, তখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে প্রত্যেকটা দুতাবাসে জাহাঙ্গীর দৌড়াদৌড়ি করে যেয়ে যেয়ে বলছে যে, আমরা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমার মা জিতবে। সরকার নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন হলে আমার মা জায়েদা জিতবে না। আওয়ামী লীগের নেতা ছিল জাহাঙ্গীর, সে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করেছে। সামান্য একটা কথাকে কেন্দ্র করে তাকে বহিষ্কার করেছে। দুর্নীতির মামলা এই আওয়ামী লীগই তার বিরুদ্ধে দিয়েছে।’
পাপিয়া আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে ঢাকা ১৭ আসনে ভোট হলো। সেখানে যে নায়কটি দাঁড়াল (হিরো আলম)। সে যখন বলেছে, এই দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন দরকার। সেই নির্বাচনে আমি এমপি হবই। আমার এমপি কেউ ঠেকাতে পারবে না। এ সরকারের অধিনে নির্বাচন হবে না। সরকার তখন তাকে ডিবি অফিসে ধরে নিয়ে গেছে, হারুন সাহেবরা। নিয়ে যেয়ে বলছে, তুই এখন আওয়ামী লীগে যোগ দিবি আর রিজভীর বিরুদ্ধে মামলা করবি। তাহলে তোকে এমপি করে দেব। এখন রিজভীর বিরুদ্ধে মামলা করল, আওয়ামী লীগে যোগ দিল, টুঙ্গিপাড়া পর্যন্ত গেল। এই ২০২৩ সালে ভিসানীতি যদি কেউ এনে থাকে তাহলে প্রথমত জাহাঙ্গীর, দ্বিতীয়ত হিরো আলম এবং তৃতীয়ত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এমরান দায়ি। কারণ এদেরকে দাতা দেশগুলো নিরপেক্ষ ধরেছে।’

