গণঅধিকার পরিষদের নবনির্বাচিত সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, আমাদের কথা পরিষ্কার এই সরকার ১৪ এবং ১৮ সালে নির্বাচন নিয়ে জনগণের সাথে প্রতারণা-প্রহসন করেছে। প্রতারক সরকারের অধীনে আগামীতে কোন নির্বাচন হবে না, হতে দেয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই ফ্যাসিবাদের পতন ঘটিয়ে এ দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আওয়াজ তুলেছে।
তিনি বলেন, সরকারকে পদত্যাগ করে নির্বাচনকালীন সরকারের কাছে ক্ষমতা দিয়ে অবাধ,সুষ্ঠু নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে বিদায় নিতে হবে। আর আগডুম-বাগডুম করে পার পাবে না। নির্বাচন হতে হবে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে।
যুগপৎ ধারার বৃহত্তর গণ আন্দোলনের ১ দফা দাবিতে আজ শুক্রবার গণ অধিকার পরিষদের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এসব কথা বলেন। দলটির কার্যালয়ের সামনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিকেল ৩টা থেকে এ সমাবেশ শুরু হয়।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, গণঅধিকার পরিষদ কিভাবে চলবে তা গঠনতন্ত্রে লেখা আছে, আমাদের রাজনীতি কি সেটা ঘোষণাপত্র ও ২১ দফা কর্মসূচীতে আছে। কাজেই না জেনে শুনে গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতি নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করবেন না। কতিপয় দলছুট ষড়যন্ত্রকারীরা গোয়েন্দা সংস্থার এজেন্ট হিসেবে গণঅধিকার পরিষদের সম্ভাবনাকে বিনাশ করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে।
তিনি বলেন, আজকের এই সমাবেশ প্রমাণ করে দুষ্কৃতকারীরা গণঅধিকার পরিষদ নিয়ে ষড়যন্ত্র করে সফল হবে না। আমাদের প্রতিটি নেতা-কর্মীর সতর্ক ও সচেতন। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে ডাকসুর নির্বাচিত ভিপি হয়েও বার বার ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী দুর্বৃত্তদের হামলার পর উঠে দাঁড়িয়েছি, আপোস করিনি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ রাজ বন্দীদের মুক্তির দাবি করে সরকারকে জনগণের গণ দাবি মেনে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে চলমান যুগপৎ আন্দোলনের সাথে সংহতি রেখে ১৮ জুলাই ঢাকায় পদযাত্রার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন নুরুল হক নুর।
সমাবেশে সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান, উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিলউজ্জামান, আব্দুজ জাহের,অ্যাডভোকেট নুরে এরশাদ সিদ্দিকী, ফাতেমা তাসনিম, যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মনজুর মোর্শেদ, সাধারণ সম্পাদক নাদিম হাসান,শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সুহেল রানা সম্পদ প্রমুখ।

