যুক্তরাষ্ট্রে যেসব প্রশ্নের মুখে পড়েছেন মোদি

বেশ কয়েকদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ খবর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এসব খবরে ভারতের সঙ্গে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষর, দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আশ্বাস, গণতন্ত্র নিয়ে আলোচনা ছিল। সেইসঙ্গে ছিল মোদির উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু রাজনীতিবিদ যেসব প্রশ্ন তুলেছেন সেইসব।

এ ছাড়া মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে যেসব প্রতিবাদ হয়েছে, তাও গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের বাজার এবং চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় ভারতকে পাশে পাওয়ার প্রয়োজনীয়তা থেকেই সামরিক, বেসামরিক, গবেষণা ইত্যাদি নিয়ে যেমন চুক্তি হয়েছে, তেমনই মোদির শাসনকালে ভারতে যেভাবে ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হয়েছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিরিখে অনেকটা পিছিয়ে গেছে ভারত, সেইসব প্রশ্ন বেসরকারি মহল এবং রাজনীতিবিদদের তুলতে বাধাও দেয় নি জো বাইডেন প্রশাসন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে গত নয় বছরে যিনি কোনও সাংবাদিককে প্রশ্ন করার সুযোগই দেন নি, সেই নরেন্দ্র মোদিকে এবার যুক্তরাষ্ট্রে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে ২০১৬ সালে একবার মাত্র তিনি সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন, কিন্তু সেখানেও কারও কোনও প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল না।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সম্মেলন নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলিতে লেখা হয়েছে যে সফরের জন্য বিমানে ওঠার আগে পর্যন্তও মি. মোদী সংবাদ সম্মেলনে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিলেন না, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের চাপে তাকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়।

তার উদ্দেশ্যে ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের সাংবাদিক সাবরিনা সিদ্দিকি প্রশ্ন করেছিলেন, মুসলমানসহ সংখ্যালঘুদের অধিকার উন্নত করতে এবং ভারতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত মোদি সরকার।

 

মোদি এর জবাবে বলেন, আমি অবাক হচ্ছি এটা শুনে যে আপনি বলছেন লোকে বলে… না ভারত আসলেই একটি গণতন্ত্র। প্রেসিডেন্ট বাইডেন যেমন বলছিলেন ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্র দুই দেশেরই ডিএনএতে গণতন্ত্র আছে।

এ সময় মোদি আরও বলেন, ভারতে জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম বা লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্যের কোনও স্থান নেই।

facebook sharing button
twitter sharing button

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.