পেলে-মারাদোনা অনেক দূরে, মেসির মত ড্রিবলার আর কেউ নন

পেলে, মেসি নাকি মারাদোনা-সর্বকালের সেরা কিংবদন্তি কে, তা নিয়ে অন্তহীন তর্ক চলতে পারে। তবে শ্রেষ্ঠতম ড্রিবলার কে, তা নিয়ে সম্ভবত কোনও সংশয়ের অবকাশ নেই। লিওনেল মেসিই ফুটবল ইতিহাসের সেরা ড্রিবলার।

এক মাস আগেই বিশ্বকাপ জিতেছেন এলএম-১০। দুর্বল শৈশব থেকেই। তবে স্কিল স্রেফ স্কিল নির্ভর ফুটবলে শৈশব থেকেই নাকানিচোবানি খাওয়াতেন বয়সে বড় ফুটবলারদের। সেই কারণে বাচ্চা থেকেই মেসির ডাকনাম হিসাবে বন্ধুরা জুড়ে দেয় ‘মাছি’। ‘ফ্লি’, ‘লা পুলগা’ নামে একদম কেরিয়ারের শুরু থেকেই ডাকা হতে থাকে মেসিকে।

 

স্কিলের বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে যে কোনও ডিফেন্ডারকে মাটি ধরাতে সিদ্ধহস্ত তিনি। ড্রিবলিংয়ের জন্য মেসির স্বতন্ত্র এক ধারাই তৈরি করেছেন। সেই লিগ্যাসির অনুগামী হতে সবাই চান, কিন্তু কজন পারেন! কাতার বিশ্বকাপেই যেমন ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে জসকো ভার্ডিওলকে নিয়ে ছেলে খেলা করেন। ডান প্রান্ত থেকে বক্সের মধ্যে উঠে পড়েছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এমনিতে ফুটবলের ব্যাকরণের সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়ে ভার্ডিওল মেসিকে ইনসাইড কাটে ধুকতে না দিয়ে সোজা শ্যাডো মার্কিং করে গিয়েছেন। নিখুঁত ডিফেন্ডিংও শেষমেশ কাজে আসেনি। সামান্য ফাঁক পেয়েই সতীর্থকে দিয়ে গোল করে বেরিয়ে গিয়েছেন সর্বশ্রেষ্ঠ মহাতারকা।

 

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে, যেখানে মেসিকে দেখা যাচ্ছে বিশ্বের সেরা সেরা ডিফেন্ডারদের নিয়ে ছেলেখেলা করতে। ‘ফুটবলজ্যান-১০’ নামের সেই টুইটার একাউন্ট থেকে পোস্ট করা সেই ভিডিও রীতিমত ভাইরাল।

যাইহোক, বিশ্বকাপের পর পিএসজি জার্সিতে নেমেও ম্যাজিক অব্যাহত রেখেছেন মহাতারকা। এঞ্জার্সের বিরুদ্ধে প্ৰথম খেলতে নেমেই দুজন ডিফেন্ডারদের মধ্যে থেকে অল্প জায়গা পেয়েই স্কিলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিয়েছেন। বিশ্বকাপের পর পিএসজির জার্সিতে এঞ্জার্স ম্যাচেই গোলের দেখা পেয়েছেন এলএমটেন। মাঠে নেমেই মাত্র ৫ মিনিটে প্রভাব ফেলে গিয়েছিলেন মেসি। পেনাল্টি-এরিয়া থেকে রাইটব্যাক নর্দি মুকিয়েলেকে পাস বাড়িয়েছিলেন। যাঁর ক্রস থেকে শেষমেশ গোল করার যান পিএসজি ফরোয়ার্ড হুগো একতিকে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.