গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে গণঅবস্থান কর্মসূচিতে সভাপতির বক্তব্যে মোস্তফা মোহসীন মন্টু বলেন, সেই পাকিস্তান আমল থেকে গণতন্ত্রের সংগ্রাম করে আসছি। ভেবেছিলাম ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর এই সংগ্রাম শেষ হয়েছে কিন্তু কষ্টের সাথে বলতে হয় আজকে এই গণঅবস্থান কর্মসূচি গণতন্ত্রের জন্য করছি। কাদের বিরুদ্ধে? যারা ২০১৪ ও ২০১৮ সনে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। কোন অগণতান্ত্রিক সরকার কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গড়তে পারে না।
তিনি বলেন, এই সরকারের উন্নয়নের গল্প জনগণকে লুটপাট করার জন্য জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির জন্য নয়। খালেদা জিয়াসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে যাদের মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করছি। অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার লড়াই শুরু হয়েছে, ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই চলবে।
বুধবার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যুগপৎ আন্দোলনের গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করে গণফোরাম। সভাপতিত্ব করেন গণফোরাম সভাপতি জননেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা মোহসীন মন্টু।
গণফোরাম সাধারণ সম্পাদক সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেন, সুশাসন ও গণতন্ত্র অচল করে এই কর্তৃত্ববাদী সরকার জনগণের সুখ-শান্তি বিনষ্ট করেছে। রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে ক্ষমতা দখল করার নীলনকশা সাজিয়েছে। ক্ষমতার দম্ভে আপনারা ভুলে গেছেন এদেশের জনগণ কোনোদিনই দুর্নীতিবাজ গণবিরোধী সরকারকে মেনে নেয়নি। এবারও আপনাদের মানবে না অতীতেও মানেনি যদিও আপনারা জনগণের ক্ষমতা কুক্ষিগত করে অবৈধভাবে টিকে আছেন। এটা লজ্জার! অবিলম্বে আপনাদের দুঃশাসন হটাতে জনগণকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে গণফোরাম।
গণঅবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন গণফোরাম নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন আব্দুল কাদের, সভাপতি পরিষদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খান সিদ্দিকুর রহমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ফারুক, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ রওশন ইয়াজদানী, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মির্জা হাসান, তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ মধু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. নাছির হোসেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক আব্দুল হামিদ মিয়া, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক তাজুল ইসলাম, মহিলা সম্পাদক নিলুফার আহম্মেদ শাপলা, ছাত্র সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. সানজিদ রহমান শুভ, মহানগর দক্ষিণের সভাপতি হাবিবুর রহমান বুলু, মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ জাহান সুমন, ঢাকা জেলার সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান খোকন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আজম রুপু, কামাল উদ্দিন সুমন, শেখ শহিদুল ইসলাম, আনোয়ার ইব্রাহীম, মশিউর রহমান বাবুল, জান্নাতুল মাওয়া, ফারুক হোসেন, এশেক আলী আশিক, এরফান উদ্দিন আন্টু প্রমুখ।

