বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জার্মান শাখা‘র উদ্যোগে প্রতিবাদ সভা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জার্মানি শাখা,গতকাল ফ্রাংকফুটের অদুরে মানহাইম শহরে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন, জার্মানি বি এন পি’র সভাপতি দেওয়ান শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক মাসুদ রেজা’র উপস্থাপনায় বক্তাগণ বলেন,জনতা আজ এক অদম্য শক্তিতে রাজপথে নেমে এসেছে জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুণরুজ্জীবনের দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে।ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজ স্বার্থে জাতীয় স্বাধীনতাকে বিপন্ন করে দেশকে এক অজানা গন্তব্যে ঠেলে দিয়েছে ,শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে একদলীয় হিংস্রশাসন অঘোষিত বাকশাল চালু করেছে,ফলশ্রুতিতে মানুষের বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে গলাটিপে হত্যা করে এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে ,এতে জনমনে চরম অশান্তি ও হতাশা নেমে এসেছে,দেশের অর্থনীতি এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলি দুর্নীতি আর লুট পাটের মাধ্যমে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে,জ্বালানি তেল,বিদুৎ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্রমবর্ধমান উধ্বগতিতে মধ্য ও নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন জীবিকা নির্বাহ কঠিন হয়ে পরেছে ।
অন্যদিকে চলছে লুট পাটের মহাউৎসব ,এমতাবস্হায় বিরোধী দল সাধারন জনগনকে সাথে নিয়ে সরকার আর সরকারী দলের অন্যায়,অবিচার,জেল,জুলুম নির্যাতন,হামলা মামলা,লুটপাটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে শান্তি পূর্ন সমাবেশের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো এবং তাদের দাবী দাওয়া তুলে ধরার চেষ্টা করছে, সরকার জনগনের সেই সাংবিধানিক গনতান্ত্রিক অধিকার নির্বিঘ্ন করতে বাধাদান করছে,বি এন পি আহুত বিভাগীয় গনসমাবেশের সর্বশেষ সমাবেশটি ঢাকায় আহবান করা হয়েছিল,দুর্ভাগ্যজনক সরকার ঢাকার সামাবেশকে কেন্দ্র করে আতংন্ক ছড়িয়ে সারা দেশকে ভয়াত্ব জনপদে পরিনত করেন,শুরুতেই কর্তৃপক্ষ সমাবেশের স্হান নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ান,বি এন পি সমাবেশের জন্য শুধুমাত্র পাটি অফিসের সামনের সরকটির জন্য আবেদন করেছিল কিন্তু সরকারী কর্তৃপক্ষ বি এন পির সাথে কোন আলোচনা না করেই সরওয়ারদি উদ্যোনে ২৬ টি কঠিন শর্তে অনুমোদ দিয়ে সরকার অসত্য ভাবে প্রচার করতে থাকে ।
বি এন পি সরওয়াদি উদ্যান চেয়েছে,সরকার পল্টনে সমাবেশ করতে দিবে না বলে ঘোষনা দেয় আর বি এন পি ঘোষনা দেয় সরওয়ারদি উদ্যানে সমাবেশ না করার,এমতাবস্হায় সরকারী কর্তৃপক্ষের সাথে যখন বি এন পির দায়ীত্বশীলদের সাথে তৃতীয় কোন ভেন্যু নিয়ে আলচনা চলছিল ঠিক তখনি হঠাৎ পুলিশ বি এন পির দলীয় কার্য্যলয়ে নিরস্ত্র নেতা কর্মীদের উপড় বর্বরচিত সশস্র হামলা চালিয়ে নিহত ও আহত করেন অনেককে এবং অগনিত নেতা কর্মীদের গ্রেফতার করেন, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর,মির্জা আব্বাস, আব্দুস সালাম,খায়রুল কবীর খোকন,শহীদ উদ্দিন চৌধুরীকে এ্যনিকে গ্রেফতার করে একটি ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল,আমরা এ ধরনের নেক্কার জনক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্ব গ্রেফতারকৃতদের দ্রুত নিশর্ত মুক্তি দাবী করছি,।
সরকারকেই বেশী সহনশীল,বেশী দায়ীত্বশীল হতে হয়,সরকার আরও ধৈয্যের পরিচয় দিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে পারতেন বলে জনগন মনে করেন,এখন প্রশ্ন হচ্ছে যে সরকার একটি সমাবেশ সহ্য করার মত সহিষ্ণুতা দেখাতে ব্যর্থ, সেই সরকারের অধিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অর্থাৎ যে নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিবর্ত হয় সেই নির্বাচন কখন ও অবাধ,সুষ্ঠ, গ্রহনযোগ্য করা সম্ভব নয়,তাই জনগনের গন দাবী আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে হতে হবে। গণতন্ত্রের পক্ষে লড়াকু নেতা-কর্মীদেরকে অবৈধ শাসগোষ্ঠী বিভৎস নির্মমতায় হত্যাসহ আহত করছে, মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতারের হিড়িক চালাচ্ছে। নির্যাতনের এই অব্যাহত ধারায় ‘গণতন্ত্রের প্রতীক’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এখনো বন্দী। গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের জন্যই ‘গণতন্ত্রের মা’ দেশনেত্রীর মুক্তি অত্যন্ত জরুরী,অন্য অন্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, মোজান্মেল হক, সেলিম ব্যাপারী চন্চল,মোঃ কাওসার শামীম, আনোয়ার হোসেন, নিয়াজ হাবিব,আসিফ ইকবাল ভূঁইয়া, রিয়াদ খন্দকার প্রমূখ।
সুত্র, প্রেস বিজ্ঞপ্তি ।

