ট্রাস্টের সুবিধাভোগী এরিকের মাসিক খরচের চাহিদাপত্র ও তার খোঁজখবর নেয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে এবার তাকে পরিস্থিতি অবহিত করে চিঠি দিয়েছেন এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান কাজী মামুনুর রশীদ।
বৃহস্পতিবার হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান এবং জাপা ও বিরোধী দলীয় নেতার মুখপাত্র কাজী মামুনুর রশীদের পক্ষে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে এরিকের নিরাপত্তা চেয়ে বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবর চিঠি দেন এরশাদ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান। একই চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, আইজিপি, মহানগর পুলিশ কমিশনার ও উপপুলিশ কমিশনার গুলশান জোন বরাবর।
এসবের বিস্তারিত জানিয়ে বৃহস্পতিবার এরশাদ ট্রাস্টের সুবিধাভোগী শাহাতা জারাব এরিকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
এরিককে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, এরিকের সঙ্গে দেখা সাক্ষাতের সুযোগ না থাকায় এবং তার মা বিদিশা সিদ্দিকের বাধার কারণে বরাবরের মতো মাসিক খরচের চাহিদাপত্র পাওয়া যায়নি। ফলে চলতি মাসের ভরণপোষণের অর্থ সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এসব বিষয় দেখতে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট পার্কের তত্ত্বাবধায়কও (অ্যাডভোকেট কাজী রুবায়েত হাসান) এরিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ও খোঁজখবর নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে এসব বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।
বিদিশার প্ররোচনায় এরিক ‘মিথ্যা-বানোয়াট কল্পকাহিনী’ সাজিয়ে ট্রাস্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বলে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
এতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পার্কে এরিকের সঙ্গে দেখা করতে গেলে এরিকের মা বিদিশা ট্রাস্ট সদস্যদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বাসায় না থাকায় এরিক এসব বিষয়ে জানেন না। তাকে এসব বিষয়ে জানাতে নানা মাধ্যমে যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছে ট্রাস্ট। এ কারণে ট্রাস্ট এরিকের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়ে। তার নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাধ্য হয়ে ট্রাস্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানদের চিঠি দিয়েছে।

