ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১৩৮ রানের টার্গেট দিল পকিস্তান

স্যাম কুরানের বোলিং তোপে মাত্র ১৩৭ রানেই বাঁধা পড়েছে পাকিস্তান। মেলবোর্নে জয়ের উল্লাসে মেতে উঠতে ইংল্যান্ডের চাই ১৩৮ রান। স্যাম কুরানকে যোগ্য সঙ্গই দিয়েছেন আদিল রাশিদ ও ক্রিস জর্ডান। তাদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শেষ ৪ ওভারে মাত্র একটি বাউন্ডারির দেখা পায় পাকিস্তান, ৪ উইকেট হারিয়ে আসে মাত্র ১৮ রান। স্যাম কুরান ১২ রানে শিকার করেন ৩ উইকেট। দুটো করে উইকেট পান আদিল রাশিদ ও ক্রিস জর্ডান।

এইদিন বৃষ্টি শঙ্কা মাথায় নিয়েই টসে হেরে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। মেলবোর্নে সাবধানী শুরু বাবর- রিজওয়ানের। ইনিংসের প্রথম বাউন্ডারি আসে চতুর্থ ওভারে, রিজওয়ানের ব্যাটে। ইংল্যান্ড দল প্রথম উইকেটের দেখা পায় এই রিজওয়ানকেই ফিরিয়ে। পঞ্চম ওভারে স্যাম কুরানের শিকার হয়ে ফিরেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১৪ বল থেকে ১৫ রান আসে এই ওপেনারের ব্যাটে। সেই ওভার থেকে আসে মাত্র ১ রান। ষষ্ঠ ওভারে ১০ রান আসলে পাওয়ার প্লে শেষে সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৩৯ রান।

এইদিন দাঁড়াতে পারেননি মোহাম্মদ হারিস, আদিল রাশিদের প্রথম শিকার হয়ে ১২ বলে ৮ রানে ফিরেন হারিস। আদিল রাশিদের দ্বিতীয় শিকার বাবর আজম। ১২তম ওভারে আউট হবার আগে ২৮ বল থেকে ৩২ রান করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক। সেই ওভার মেইডেন দেন আদিল রাশিদ। পরের ওভারেই ইফতেখার ফিরেন রানের মুখ না দেখেই। ৬ বল থেকে ০ রানে বেন স্টেকসের শিকার তিনি। ৮ বল আর মাত্র ১ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে যায় পাকিস্তান।

সেখান থেকে দায়িত্ব নিয়ে দলকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন শান মাসুদ ও শাদাব খান। তাদের ২৫ বলে ২৩ রানের জুটি ভাঙে ১৭তম ওভারে ২৮ বল থেকে ৩৮ রান করে শান মাসুদ ফিরে গেলে। পরের ওভারে ক্রিস জর্ডানের শিকার শাদাব খান। ১৪ বলে ২০ রান করেন শাদাব। দু’জনে দ্রুত ফিরে গেলে আবারো পথ হারায় পাকিস্তান। শেষ ভরসা মোহাম্মাদ নওয়াজও ফিরেন মাত্র ৫ রানে। শেষ ওভারে ওয়াসিম জুনিয়রকেও হারিয়ে ৮ উইকেটে ১৩৭ রানেই থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.