মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারতকে ছাড়িয়ে গেছি: তথ্যমন্ত্রী

করোনায় দেশে হাহাকার হয়নি, কেউ অভুক্ত থাকেনি। বরং এই সময়ে মাথাপিছু আয়ে আমরা ভারতকে ছাড়িয়ে গেছি। এই কথাগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

আজ শুক্রবার (২৯শে এপ্রিল) বিকেলে খুলনা প্রেসক্লাবের শহিদ শেখ আবু নাসের ব্যাংকুয়েট হলে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনাদের লেখনি দেশ ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশ্বে আয়তনে ৯২তম ও অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা প্রতিরোধে এ পর্যন্ত দেশে ২৫ কোটি ডোজ টিকা প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। মুজিববর্ষে লাখো ভূমিহীন-গৃহহীনকে প্রধানমন্ত্রী জমিসহ পাকা ঘর উপহার দিয়েছেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগ্রহে তৈরি হয়েছে। সাংবাদিকদের সহায়তায় স্থায়ী ব্যবস্থাপনার জন্য তিনি এই ট্রাস্ট করে দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এটি সাংবাদিকদের ভরসার জায়গায় পরিণত হয়েছে। এর মাধ্যমে এখন পর্যন্ত সাংবাদিকদের মাঝে ২২ কোটি টাকা দেওয়া সম্ভব হয়েছে। জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার গঠন করা ট্রাস্ট সব দলমতের সাংবাদিকদের জন্য অবারিত।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি সাংবাদিকদের দৃষ্টিতে তাদের সমস্যাগুলো দেখার চেষ্টা করি। অষ্টম ওয়েজ বোর্ড যারা বাস্তবায়ন করবেন না, তারা সরকারি ক্রোড়পত্র পাবেন না।

ড. হাছান মাহমুদ আরও বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে শেখ হাসিনাই কাজ করেছেন। অন্যান্য সরকারের আমলে সাংবাদিকরা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। গণমাধ্যমকর্মী আইন বাস্তবে রূপ পেলে সাংবাদিকরা সত্যিকার সুরক্ষা পাবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের মহাপরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব দ্বীপ আজাদ, জেলা প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার ও খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম।

এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিয়াজ।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ৩২ জন এবং করোনাকালীন আর্থিক প্রণোদনার অংশ হিসেবে ৮৬ জন সাংবাদিককে আর্থিক সহায়তার চেক প্রদান করা হয়।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.