ফতুল্লায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ দুজনের মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার আলীগঞ্জে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন-মো. আলম হোসেন (৪৫) ও মো. জজ মিয়া (৫০)।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, দুজনেরই শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। মো. আলম হোসেন রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগদ রাত সাড়ে ১২টায় ও মো. জজ মিয়া আজ সকাল ৮টা ৫ মিনিটে হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। চিকিৎসাধীন তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে হাসিনা মমতাজের শরীরের ৬৬ শতাংশ, আসমা বেগমের ৪০ শতাংশ ও হাফসা আক্তারের ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের শ্বাসনালীও পুড়ে গেছে।

এছাড়া দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। তারা হলেন-তাহমিনা আক্তার ও সাথী আক্তার।

নিহত জজ মিয়ার ভাতিজা স্বপন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জজ মিয়া আলীগঞ্জ এলাকার মুজিবুর রহমানের ছেলে। তার দুটি ছেলে ও একটি মেয়ে রয়েছে।

নিহত আলম মিয়া পেশায় গাড়িচালক ছিলেন। তিনি আলীগঞ্জ এলাকার মৃত তালেব নিয়ার ছেলে। তার দুটি মেয়ে রয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য দুজনের মরদেহ ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

এর আগে রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

দগ্ধদের মধ্যে সাতজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হন। এরা হলেন- মো. আলম মিয়া (৪৫), মো. জজ মিয়া (৫০), হাসিনা মমতাজ (৪৭), সাথী আক্তার (২০), তাহমিনা আক্তার (১৮), আসমা আক্তার (৪৫) ও হাফসা আক্তার (০৬)। এছাড়া দগ্ধ শেফালি বেগম (৪০), আব্দুল বাতেন (৫০), আফসানাকে (২) স্থানীভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ফায়ার সার্ভিসের নারায়ণগঞ্জের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জাগো নিউজকে বলেন, আলীগঞ্জ ব্যাপারী বাড়ি এলাকায় গাড়িচালক সিলিন্ডার থেকে গ্যাস অপসারণ করছিলেন। এ সময় পাশে থাকা আলম নামের এক ব্যক্তি সিগারেটে আগুন ধরাতেই এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে ১০ জন দগ্ধ হন।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.