স্পিডবোট দুর্ঘটনায় নিহত ২৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে

মাদারীপুরের শিবচরে পদ্মা নদীতে বালু বোঝাই বাল্কহেড ও স্পিডবোটের সংঘর্ষের ঘটনায় ২৬ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। মরদেহগুলো উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের দোতারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মাদারীপুর জেলার চারজন, বরিশালের ছয়জন, খুলনার একই পরিবারের চারজন, কুমিল্লার তিনজন, ফরিদপুরের একজন, চাঁদপুরে একজন , নড়াইলে একজন, মুন্সিগঞ্জ একজন, ঢাকার একজন, ঝালকাঠির একজন, এবং পিরোজপুরের দুইজন। বাকি একজনের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

নিহতরা হলেন: মাদারীপুরের আলম মোল্লা (৩৮), শাহাদাত হোসেন (৪২), তাহের মীর (৩০), আব্দুল আহাদ (৩০)। খুলনার মনির মিয়া (৩৮) ও তার স্ত্রী হীনা বেগম (৩৬), তাদের মেয়ে রুমি আক্তার (৩) ও সুমি আক্তার (৫)।

বরিশালের সাইদুল হোসেন (২৭), রিয়াজ হোসেন (৩৩), সাইফুল ইসলাম (৩৫), মনির হোসেন (৩৫), আনোয়ার চৌকিদার (৫০), আলাউদ্দিন বেপারী (৪৫)।

কুমিল্লার জিয়াউর রহমান (৩৮), মো. কাওসার আহমেদ (৪০) মো. রুহুল আমিন (৩৬)। ফরিদপুরের আরজু সরদার (৪০) এবং আরজুর দেড় বছর বয়সী ছেলে ইয়ামিন। চাঁদপুরের মো. দেলোয়ার হোসেন (৪৫)। নড়াইলের জোবায়ের মোল্লা(৩০)। মুন্সিগঞ্জের সাগর শেখ (৪১)।

ঢাকার খোরশেদ আলম (৪৫)। ঝালকাঠির নাসিরউদ্দিন (৪৫)। পিরোজপুর বাপ্পী (২৮), ভান্ডারিয়া উপজেলার জনি অধিকারী (২৬)।

সোমবার (৩ মে) ভোরে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে ৩০ থেকে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে মাদারীপুরের শিবচরের বাংলাবাজারের দিকে আসছিল স্পিডবোটটি। ঘাটের কাছাকাছি এলে নোঙর করা বালুবোঝাই একটি বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এতে ২৬ জন যাত্রী নিহত হন।

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.