বিশ্বের বিখ্যাত চিকিত্সকরা ধারণা “এক বছরে আমাদের একটি নতুন ভ্যাকসিন এর প্রয়োজন অনিবার্য ”
শীর্ষস্থানীয় পেশাদাররা চিকিত্সকরা সর্বদা নতুন ভাইরাসের বৈকল্প সম্পর্কে চিন্তিত। তারা বিশ্বাস করেন বর্তমান ভ্যাকসিনগুলি নুতুন “ভাইরাস প্রজন্ম” এর জন্য অকেজো হয়ে উঠতে পারে।
করোনাভাইরাস মহামারীতে ভাইরাসের বিভিন্ন রূপগুলি ছড়িয়ে দেওয়ার কারণে, শীর্ষস্থানীয় চিকিত্সক পেশাদাররা ধরে নিয়েছেন যে এক বছর বা তারও কম সময়ে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষার জন্য বিশ্বে নতুন নতুন ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে।
এটি ২৮ টি দেশ থেকে ৭৭ জন মহামারীবিজ্ঞানী, ভাইরোলজিস্ট এবং সংক্রামক রোগগুলির বিশেষজ্ঞের সমীক্ষার ফলাফল। জরিপের প্রবর্তক হলেন “পিপলস ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স”, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, অক্সফাম এবং ইউ.এন.এ.আই.ডি.এস. (UNAIDS)´ র একটি সংস্থা। সর্বপ্রথমে “Gurdian” পত্রিকাটি এই সম্পর্কে রিপোর্ট করেছিলেন।
বর্তমানে ব্যবহার করা করোনার ভ্যাকসিনগুলির প্রথম প্রজন্ম নতুন রূপগুলির বিরুদ্ধে ব্যবহারযোগ্য হবে না এবং চিকিত্সকদের মতে এটির পরিবর্তন প্রয়োজন। মোট ৭৭ জন গবেষকের দুই তৃতীয়াংশ ধরে নিয়েছে যে পরিবর্তিত ভ্যাকসিন বের হতে এক বছরেরও কম সময় নেবে, এবং এমনকি তাদের অর্ধেক বিশ্বাস করে যে এটি এই বছরের শেষেই বের হতে পারে।
এর অন্যতম কারণ হল বিশ্বের জনসংখ্যার অতি ধীর গতিতে টিকা দেওয়ার প্রথা। গবেষকদের মতে, ভ্যাকসিনের প্রদানের নিম্ন স্তরের কারণে ভাইরাসের বৈচিত্রগুলি প্রকাশ হয় ও তারপরে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে I ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের মহামারী বিশেষজ্ঞ গ্রেগ গনসালভেস বলেছেন “প্রতিদিন এই ভাইরাস এর নতুন নতুন মিউটেশন ধরা পড়ছে। কখনও কখনও তারা এমন সুত্র খুঁজে পায় যা তাদের পূর্বসূরীদের তুলনায় আরও সুসংহত । যারা ফলে এই ভাইরাসগুলো তখন আরও সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে I“ । তিনি আরো বলেন ” যদি “আমরা পুরো বিশ্বের জনগণকে টিকা দেওয়া সম্পূর্ণ করতে না পারি , তাহলে এই পৃথিবীতে করোনা ভাইরাস এমন ধরণের ” মিউটেশন” প্রডিউস করবে যার কোনো বিকল্প ভ্যাকসিন আমাদের কাছে থাকবে না।
অনুলিখন, মাহবুবুল হক, শুদ্ধস্বর ডটকমের বিশেষ প্রতিনিধি ।
সূত্র: টাগেসপিয়েগেল

