আলো আলোই,থাকে যতো দুরে
গুনতে হবে ক্ষন, সময় ও কাল
হয় আসবে নিকটে ধীরে ধীরে
নয় সরে যাবে আরও দুরে
শুধু হবে বুঝতে গভীর অন্তঃদর্শনে
পেরেছি কি আমি চিনতে আলোকে
নাকি হেলাবসে রইলাম চোখ বুজে
ভেবে মনে মনে বার বার
আলো থেকে দুরে থাকো
পাছে লোকে কিছু বলে
এ শংকা আর লাজে।
আলো কি চলে সরবে না নীরবে?
সব আলোর ধরন-চলন একই রুপ কি?
যদি চলে নীরবে
কেন তারে চাও দেখতে সরবে?
চক্রাকরে না ঘুরে, না ঘুরে
স্হীর যাও হয়ে একেবারে
এসেছে আলো, ঘুরছে আশেপাশে
বরন করে নাও তারে
মনপ্রান দিয়ে
নয়কো বিলম্ব আর
হে
মানবী!!
দ্বার প্রান্তে ঊপনীত কেউ কেউ
প্রবেশ তো বাকী এখনো
কবিমন যায় হয়ে
কখনো সহজভেদ্য
কখনো দুর্ভেদ্য
কখনো অভেদ্য
চলছে এ খেলা প্রতিনিয়ত।
যেজন করবে ভেদ
গোলকধাঁধার গহ্বরে
হাবুডুবুরত এখনো সেজন
অথচ ঊত্তরের একচেটিয়াত্ব
যে একজনেরই
বুঝেও বুঝতে পারছেনা
নাকি হয়ছে কিংকর্তব্যবিমোঢ
ক্ষনিকের তরে!!
যে যাই বলুক
যে যাই ভাবুক
ঊত্তরতো আসতে হবে
সেজন থেকেই, সেজন থেকেই
জানে তা সেজন, বুঝে তা সেজন
ধীরে ধীরে আলোতে অবগাহিত
প্রলেপিত হচ্ছে সেজন
ভেদের হীরক চাবিতো তারই হাতে।
আর যদি যায় হারিয়ে হীরক চাবিটা
হেলায়- খেলায়, হাস্যচ্ছলে
বুঝে না বুঝে
ভাববো এরই নাম জীবনের খেলা
জয়-পরাজয়ের অমোঘ নিয়ম, বিধি- বিধানের
নশ্বর এক ভেলা।

সিনহা এম এ সাঈদ

