প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ নেতাদের আটকের পর মিয়ানমারের পার্লামেন্ট সদস্যদের বাসভবনও নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয়েছে।
দেশটির রাজধানী নেপিডোতে পার্লামেন্ট সদস্যদের বাসভবনের বাইরে পাহারা দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
কমপক্ষে দুই জন আইনপ্রণেতা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ খবর নিশ্চিত করেছেন।
সাই লিন মিয়াত নামে হাউজের এক প্রতিনিধি জানিয়েছেন, অধিবেশন চলার সময়টাতে আইনপ্রণেতারা যে সরকারি ভবনগুলোতে বাস করেন তার বাইরের প্রবেশ মুখে সামরিক ট্রাক দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।
ভেতরে যারা রয়েছেন তারা সবাই সুস্থ থাকলেও কাউকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না বলে জানান তিনি।
সোমবার ভোরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিসহ কয়েকজন মন্ত্রীকে আটক করার পর দেশজুড়ে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করেছে সেনাবাহিনী।
বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী জানিয়েছে– দেশটি এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মিয়ানমার সেনাবাহিনী বলছে, তারা কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছে।
মিয়ানমার টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, সামরিক বাহিনী পরিচালিত টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভিডিও ভাষণে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিং অং হ্লাইংয়ের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে।
তিনি এক বছর ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন। আর সেনাবাহিনীর সাবেক প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মিন্ট সুয়েকে এক বছর মেয়াদে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

